Sunday, March 22, 2026
Home "ধারাবাহিক গল্প" অবন্তর আসক্তি অবন্তর আসক্তি পর্ব ৪

অবন্তর আসক্তি পর্ব ৪

0
1067

#অবন্তর_আসক্তি
#৪র্থ_পর্ব
#শারমিন_আক্তার_বর্ষা
_________
অভ্রর আম্মু যখন অভ্র কে তার প্লেটে খাবার বেড়ে দিতে যাবে। তখন অভ্র তাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, ‘ তোমরা কেনো বেড়ে দিচ্ছো? প্রতিদিন তো সব সময় তোমরাই কাজকর্ম করো। আজ তোমরা রেস্ট করো। আর আমার সাথে বসে একসাথে খাও। ‘

বাড়ির মহিলারা বেশ অবাক হয় ভ্রু কুঁচকে প্রশ্ন করে ফেলে, ‘ সবাই একসাথে খেতে বসলে খাবার বেরে দিবে কে? ‘

অভ্র মৃদু হাসি দিয়ে সবার উদ্দেশ্য বলে, ‘ কেনো? বর্ষা আর রিয়া করবে ‘

অভ্রর মুখে বর্ষা খাবার সার্ভ করবে শুনে হতবাক হয়ে গেলো সবাই তাদের মুখ থেকে অস্ফুটস্বরে বেরিয়ে আসে, ‘ বর্ষা করবে খাবার সার্ভ ও জীবনে প্লেট ধুয়ে খাবার খায় না। ‘

অভ্র ডোন্ট কেয়ার এটিটিউট নিয়ে বলল, ‘ তাহলে থাক আজ আর আমার খাওয়া হবে না। ‘

বলে চেয়ার ঢেলে উঠে যেতে নিলে অভ্রর আম্মু তার হাত ধরে নেয় আর ইতস্তত হয়ে বলে, ‘ খাবার ছেড়ে উঠতে নেই বাবা। এই বেলা খেয়ে নে রাতে না হয়৷ বর্ষা ওরাই সার্ভ করবে তাছাড়া এখন সার্ভ করার জন্য ওদের তো বাড়িতে থাকতে হবে। ‘

উনি চেয়ারে আরাম করে বসে আবারও বললেন, ‘ ওরা সার্ভ না করলে খাবো না তাছাড়া ওরা দু’জনে ওদের রুমেই আছে। ‘

‘মাথা খারাপ হয়ে গেছে তোর? বাড়িতে আসলে ওকে তো আমরা দেখতাম। ‘ তিন্নি হতভম্ব হয়ে বলল।

অভ্র সামনে টেবিলের উপর রাখা কাঁচের গ্লাসটার উপর আঙুল রেখে আঙুল ঘুরাতে ঘুরাতে বলল, ‘ ওরা বাড়িতে এসেছে আমি দেখেছি বাগানের পেছন দিক দিয়ে পাইপ বেয়ে উপরে উঠেছে। ‘

পানি পান করছিলেন বর্ষার বাবা এমন সময় মেয়ের পাইপ বেয়ে উপরে উঠার কথা শুনে পানি স্লিপ করে ছোট চাচ্চুর উপরে গিয়ে পরে। ছোট চাচ্চু মুখে খাবারের এক লোকমা পুড়ে দিয়েছিল। তারও ওই কথা শুনে একই অবস্থা হয় তবে একটু উল্টো তার খাবার নাকে মুখে তাউলায় উঠে যায়। একাধারে কাশতে শুরু করেন। ছোট আম্মু সামনে টেবিল থেকে এক গ্লাস পানি নিয়ে চাচ্চুর দিকে বাড়িয়ে দিলেন। সেও এক নিশ্বাসে পুরো পানি টুকু গিলে ফেলল।

বর্ষা রিয়া রুমে তাও আবার পাইপ বেয়ে উপরে উঠেছে কথাটা কেউই বিশ্বাস করছে না। সেটা অভ্র তাদের চোখ মুখ দেখেই বুঝতে পারছে। তাই গ্লাসটায় হাত দিয়ে টুংটাং শব্দ করতে করতে বলল, ‘ তোমাদের কারো বিশ্বাস না হলে ওদের রুমে গিয়ে দেখে আসো। ‘

কিছুক্ষণ চোখচোখি করে বর্ষার আম্মু আর রিয়ার আম্মু উপরে চলে যায়। এসে দেখে অভ্র যা বলেছিল সবটাই সত্যি, দু’জনে বিছানার উপর বসে লুডু খেলছিল। দুজন মা এসে দাঁড়িয়ে পরে তাদের সামনে সাথে শত প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়, ‘ তোরা পাইপ বেয়ে রুমে আসছিস? ‘

বিছানা থেকে লাফ দিয়ে নিচে নেমে আসে দু’জনে ইতস্তত হয়ে বর্ষাববলে, ‘ ইহা একটি মারাত্মক ফাউ কথা আম্মো আমরা কি পাইপ চড়তে পারি নাকি আজব কি সব বলো না৷ ‘

সামনে থাকা মানুষ দু’জন কথাগুলো মোটেও বিশ্বাস করলেন না। রুম থেকে সোজা বেলকনিতে চলে গেলো। উপর থেকে নিচ পর্যন্ত তাকিয়ে দেখে আবারও রুমে এসে একই প্রশ্ন ছুঁড়ে, ‘ আমরা তোদের দু’জনকে বাড়ির ভেতরে তো আসতে দেখিনি তাহলে আসছিস কোন দিক দিয়ে? সত্যি সত্যি বল। ‘

কিছুটা চোখ রাঙিয়ে বলল, যথাযথ চেষ্টায় মিথ্যে বানিয়ে বানিয়ে বলছিল বর্ষা কিন্তু তারা বিশ্বাস করছিল না। তাই সন্দেহজনক মনে হচ্ছে ভেবে উল্টো প্রশ্ন ছুঁড়ে, ‘ তোমাদের এই ফাউ কথাটা কে বলছে শুনি? ‘

দু’জনেই একসাথে ‘অভ্র’ নামটা নিলো। এই নামটা শুনলে কেন যে আমার এত রাগ উঠে বুঝতেই পারি না। ইচ্ছে করে নিজের চুল নিজে ছিঁড়তে। এখন আমার অন্তত বুঝতে বাকি রইল না। আমারই আম্মু আমার কথা কেন বিশ্বাস করছে না। তাই আর কথা না বাড়িয়ে প্রসংগ পাল্টে ফেললাম এই বলে, ‘ ওয় ভুল দেখছে চোখে বেশি নয়তো কম দেখে। এখন তোমরা এটা বলো দু’জনে একসাথে আমার রুমে কেন আসছো ‘

আম্মু বলল, ‘ সবাই ডাইনিং টেবিলে তোদের অপেক্ষা করছে চল। ‘

ডাইনিং টেবিলের কথা শুনতেই পেটের মধ্যে খিদে খিদে পেলো। তাই দু’জনে গায়ে ওড়না জড়িয়ে হাঁটতে শুরু করলাম। নিচে আসতেই সবার আগে শয়তান টার মুখ দর্শন হলো। আমার ভালো মুডটা নষ্ট হয়ে গেলো। কপালের চামড়া বিরক্তির কারণে ভাজ পরল। সে আমার দিকে এক নজর তাকিয়ে ডেভিল মার্কা হাসি দিয়ে আবারও মাথা নত করে নিলো কিন্তু এখনও হাসি গালে লেপ্টে আছে। চোখ পাকিয়ে অন্য দিকে তাকিয়ে চেয়ার টেনে বসতে যাবো তখনই দাদু (মনোয়ারা বেগম) বললেন, ‘ বোইন তুই পরে বস খেতে ‘

ভ্রু কুঞ্চিত করে দাদুর উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়লাম, ‘ কিন্তু কেনো? এখন না বসলে আমাকে ডেকে আনছে কেন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সবার খাওয়া দেখতে? ‘

সামনে থেকে পুতুল আপু বলল, ‘ আজ্ঞে নাহ। আপনাগো দাঁড়িয়ে থাকার জন্য আনা হয়নি।’

বর্ষা ভ্রু কুঞ্চিত করে প্রশ্ন ছুড়ল, ‘ তাহলে? ‘

পুতুল আপু (পুতুল আপুর ভালো নাম হচ্ছে সূবর্ণা মোস্তফা ডাক নাম পুতুল) পুতুল আপু আবারও কিছু বলতে যাবে তার আগে মুন্নি আপু তড়িঘড়ি করে বলল, ‘ তোদের কে এখানে আনতে চাচী আম্মুরা গিয়েছিল অভ্র ভাইয়ার খাবার সার্ভ করে দেওয়ার জন্য ‘ বলেই মুখ টিপে টিপে হাসতে লাগল।
চোখ জোড়া জেনো বেরিয়ে যাওয়ার অতিক্রম হয়েছে। ঠোঁট জোড়া ভাজ করে সকলের দিকে এক নজর চোখ বুলালাম। এবার ঢের বুঝতে পারছি তখন কোন সুখে সে আমাকে দেখে ডেভিল মার্কা হাসি হেঁসেছিল। ইচ্ছে না থাকা শর্তেও ওদেরকে খাবার দিতেই হলো সবার কথা তো ফেলা যায় না। খাওয়ার মাঝে তো এইটা দে ওইটা দে সেটা দে পানি দে আছেই মেজাজ প্রচুর বাজে রকমের খারাপ হলো। এক তো সুযোগে কাজের বেটির মতো খাটাচ্ছে অপরদিকে তুই তুই করে বলছে। আমার বান্ধবীরা ছাড়া আমাকে কেউ তুই তুকারি করলে আমার এমনিতেও রাগ উঠে তার উপরে কি খাটানি না খাটাচ্ছে। তারমধ্যে এখন তো অতিরিক্ত হয়ে গেছে বলে কি না, কিচেন থেকে গিয়ে ডাল নিয়ে আসতে।

নিজের মধ্যেই নিজের রাগ দফন করে নিলাম। চলে আসলাম কিচেনে আবার পেছন পেছন মরিয়ম ও আসল। (আমার আরেক চাচাতো বোন ছোট) সে আমাকে সবটা খুলে বলল, তার সব কথা শুনে বুঝলাম এইসব কিছু অভ্র ভাইয়া ইচ্ছে করে করছে শুধু আমাকে নাকানি চুবানি খাওয়ানোর জন্য আমিও কম কিসের। এক বাটি ডাল নিয়ে কিচেন থেকে বের হতে যাবো তখনই আমার মাথায় (আকাশ ছোঁয়ার ভালোবাসা) মুভিটার ওই ডালের সিন টা মনে পরে গেলো। সেই অনুযায়ী আমিও একটা ডেভিল মার্কা হাসি দিয়ে পাঁচ ছয় চামচ লবণ ডেলে দিয়ে ইচ্ছা মতো নাড়াচাড়া দেই। তারপর সাধু সেজে এসে টেবিলের উপর ডালের বাটিটা রেখে দেই।

তবুও অভ্র ভাই থেমে থাকেনি। আমি ডালের বাটি রেখে চলে যাবো তখন সে মাথা ঘুরিয়ে আমাকে পিছু ডেকে বলল, ‘ ওই জংলী দাঁড়া। তোর এই ডাল পাতে ঢেলে দিবে কে শুনি? ‘

এই ভাবে তো আমাকে বাকি ভাইগুলাও বলে না, ওয় যেভাবে যেভাবে বলছে। ইচ্ছে করছিল ডালের বাটিটা তুলে সম্পূর্ণ তার মাথায় ঢেলে দিতে কিন্তু সেটা করা যাবে না। ন্যায় পাশে দাঁড়িয়ে কয়েক চামচ লবণের ডাল ঢেলে দিলাম প্লেটে৷ সেও আনন্দ সহিত একবার এক লোকমা মুখে দিয়ে আর নাড়াতে চাড়াতে পারছে না। আমার এখন প্রচুর হাসি পাচ্ছে উনার মুখের অঙ্গিভঙ্গি দেখে কোনো ভাবেই নিজের পেটে হাসি চেপে রাখতে পারছি না। শত কষ্ট করে দাঁত দিয়ে ঠোঁট কামড়ে ধরে বললাম, ‘ কি হলো ডাল ভালো হয়নি খাচ্ছেন না কেনো আর একটু দেবো? ‘

এক চামচ ডাল উনার প্লেটের উপর ধরে বললাম। উনার চোখ দুটো রাগে রক্তবর্ণ ধারণ করেছে। সেভাবেই আমার দিকে তাকিয়ে আছে। সবাই জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে পরিশেষে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলো, ‘ কি হলো খাচ্ছিস না কেনো? ‘

সামনে টেবিল থেকে গ্লাস নিয়ে ঢকঢক করে পানি গিলে ফেলল আর তেজি কন্ঠে বলল, ‘ খাওয়া শেষ আমার! ‘

বলে চেয়ার টেনে উঠে দাঁড়ালো এক নজর আমার দিকে তাকিয়ে রাগে গজগজ করতে করতে চলে গেলো। আমার মুখে যাদুর হাসি দেখতে সে পেয়ে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠল। টেবিলের অপর পাশ থেকে কাব্য বলল, ‘ বর্ষ্যু ডালের বাটিটা দে তো আমি একটু নেই। ‘

হুট করে এমন ডাক শুনে কলিজা কেঁপে উঠল এ ডাল খেলে তো বুঝে ফেলবে অভ্র ভাই এমন ভাবে চলে গেছে কেনো। কোনো কিছু না ভেবেই চেঁচিয়ে বলে উঠলাম, ‘ নাহহহ ‘

অপূর্ব ভাইয়া জিজ্ঞেস করল, ‘ না কেনো? ‘ ভ্রু কুঞ্চিত করে।

আমি উপর নিচ চোখ ঘুরিয়ে কিছু একটা ভাবনা চিন্তা করে বললাম, ‘ এই বাটি ডাল আমি আনছি আমি খাবো তোদের খেতে ইচ্ছে হলে ওয়াশরুম থেকে এনে খা। ‘

কাব্য দাঁতে দাঁত চেপে বলল, ‘ কি বললি? ‘

আমি বিস্মিত স্বরে বললাম, ‘ না স্যরি, ওই বলতে গিয়েছিলাম কিচেন থেকে এনে খা মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসছে ওয়াশরুম। ‘

সবার দিকে তাকিয়ে বাটি সহ দিলাম কিচেনের দিকে দৌঁড়, কেউ দেখার আগে এক বাটি ডাল বেসিনে ফেলে দিলাম। পানি ছেড়ে বেসিন পরিস্কার করে দিলাম। পাতিল থেকে আরও কিছু ডাল বাটিতে তুলে রেখে ডাকনা দিয়ে ডেকে বাহিরে চলে আসলাম। দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে রুমের দিকে যাচ্ছিলাম। কিছু একটা ভেবে থেমে গেলাম পেছনে ঘুরে তাকিয়ে সবার উদ্দেশ্যে আবারও বলে উঠি, ‘ ভুলেও কেউ আমার ডালের বাটি স্পর্শ করবে না। ‘

ডাল আমার তেমন একটা পছন্দ নয়। তবুও আজ ডাল নিয়ে মাতামাতি একটু বেশি করছি। আমার মন বলছিল তারা ডালের বাটির ডাল খেয়ে অবশ্যই দেখবে আর মন কখনো ভুল বলে না। আমারই তো পরিবার খুব ভালো করে চিনি তাদের সকলকে।

দৌঁড়ে এসে রুমে ঢুকে পরলাম কে দেখে আমার হাসি ওরে হাসি উল্টাপাল্টা হাসি, কি হাসি, হাসতে হাসতে বিছানার উপর পরে যাচ্ছি, আবারও উঠে দাঁড়াচ্ছি আবারও হাসতে হাসতে সোফার উপর বসে পরছি। আল্লাহ হাসতে হাসতে আমার গাল দু’টো ব্যাথা হয়ে গেছে তবুও আমি হাসছি। দুইহাত দিয়ে দুই গাল চেপে ধরে হাসছি। এ হাসি জেনো কোনো বাধা মানছে না। হাসতে হাসতে এখন গাল সহ পেটেও ব্যাথা করছে, এক হাত দিয়ে গাল চেপে ধরলাম আরেক হাত দিয়ে পেট চেপে ধরে কিছুটা ঝুঁকলাম এখনও আমি হেঁসে যাচ্ছি। মাথাটা একটু উঁচুতে তুলে দরজার দিকে তাকালাম। দেখলাম কালো প্যান্ট পরা কেউ দাঁড়িয়ে আছে। প্যান্ট যখন পরেছে নিশ্চয়ই কোনো ছেলে, তাই তার চেহারা দেখার জন্য মাথা তুলে তাকালাম। তারপর যাকে দেখলাম মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। উনাকে তো আমি এখানে এক্সপেক্ট-ই করি নাই কোণ্থেকা আইসা পরলো। ধপ করে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে পরলাম। হঠাৎ করে দাঁড়ানোর ফলে পিঠে একটু টানটান অনুভব করলাম। এখনও তার চোখ রাগে রক্তবর্ণ ধারণ করেছে, দেখে মনে হচ্ছে এখনই আমাকে ওই চোখ দিয়ে গিলে খাবে। আমি ভয়ে শুকনো এক ঢোক গিললাম। মনে মনে ভাবতে লাগলাম সে কখন এসেছে আর আমাকে পাগলের মতো হাসতে দেখে ফেলেনি তো ‘ আল্লাহ মালুম। ‘

উনার সাথে যা করেছি তার জন্য যদি এখন দরজা বন্ধ করে বেল্ট খুলে আমাকে উত্তম মাধ্যম পিটানি দেয় তখন আল্লাহ বাঁচাও আমারে আজকের মতো বাঁচাই নেও। আমার মতো মাসুম বাচ্চা উনার ওই শক্তপোক্ত হাতের মাইর খাইলে আর বাঁচুম না। (মনে মনে)

সে দরজায় এক হাত রেখে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল এতক্ষণ, জানি না কখন এসেছে বা কেনো এসেছে?

দরজা থেকে হাত নামিয়ে রুমে ঢুকে পরল। আমার সামনে এসে দাঁড়াতেই আমি খিঁচে চোখ জোড়া বন্ধ করে নিলাম। সাথে গলা ফাটিয়ে এক চিৎকার দিলাম, ‘ আম্মুওওওওওও ‘

সে তার এক হাত দিয়ে আমার মুখ চেপে ধরে আরেক হাত দিয়ে ঠেলে আমাকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরলেন। আমি চোখ জোড়া খুলে বিষ্ময়কর দৃষ্টি নিক্ষেপ করে তাকিয়ে মাথা বামে ডানে নাড়াচাড়া করছি। জেনো তার হাত আমার মুখ থেকে সরাতে পারি। সে আমার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিক্ষেপ করে চোখ মুখ কুঞ্চিত করে বলল,

চলবে?

(কার্টেসী ছাড়া কপি করা নিষেধ)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here