টক ঝাল মিষ্টি পর্ব ১৬

0
157

#টক_ঝাল_মিষ্টি
#তামান্না_আঁখি
#পর্ব-১৬

শাহাদের গরম নিঃশ্বাস আছড়ে পড়ছে কুহুর চোখেমুখে। কুহু চোখ খিচে বন্ধ করে ফেললো। অনুভব করলো গালে রাখা শাহাদের খসখসে হাতের ছোয়া।মস্তিষ্কের নিউরনের ভাঁজে ভাঁজে শিহরণ খেলে গেলো। হঠাৎ তীব্র শব্দে দুজনেই চমকে উঠলো। কুহুর চোখ খুলে গেলো।শাহাদের ঘোর কেটে গেলো। শব্দের উৎসের দিকে তাকিয়ে দেখলো একটা আগুনের গোলা এঁকেবেকে আকাশের দিকে উঠছে। আকাশে উঠে শব্দ করে ফেটে চারদিকে আলোর রোশনাই ছড়িয়ে গেলো। চারদিক আলোকিত হয়ে গেলো। আতশবাজি ফাটানো হচ্ছে। কুহু মুগ্ধ চোখে তাকালো, আনমনে উচ্চারণ করলো “ওয়াও”। শাহাদ কুহুর মুখের দিকে তাকালো।

কুহু এখনো ওর কাছকাছি দাঁড়িয়ে আছে,তার এক হাত কুহুর কোমড়ে। আকাশে ফাটানো আতশবাজির আলো এসে পড়েছে কুহুর মুখে। কুহু উজ্জ্বল চোখে চেয়ে আছে আকাশের পানে। আর শাহাদ ঘোর লাগা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে কুহুর পানে। আস্তে আস্তে আতশবাজির আলো নিভে গেলো। শুধু ছাদে করা লাইটিং এর আলো পড়ছে এবার তাদের উপর। কুহু আকাশ থেকে চোখ নামিয়ে শাহাদের দিকে তাকালো। শাহাদ স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। দৃষ্টিতে কোনো অস্থিরতা নেই,এমনকি চোখের মনি দুটোও নড়ছে না।কেবল ধীর লয়ে চোখের পাতা ফেলছে। কুহু আস্তে আস্তে শ্বাস ফেললো যেন একটু শব্দ হলেই এই দৃশ্যের সুতা কেটে যাবে। সে এই দৃশ্য থেকে বের হতে চায় না।পারলে পুরো জীবন এভাবেই কাটিয়ে দিবে,ক্ষতি নেই।

আবারো বিকট শব্দ করে আকাশে আতশবাজি ফাটলো। দুজনেই এবার নড়ে উঠলো।শাহাদ কুহুকে ছেড়ে একটু সরে দাঁড়ালো, হালকা গলা ঝাড়লো।কুহু অস্বস্তি কাটাতে চুলগুলো ঠিক করার ভান ধরলো। আউটহাউস থেকে ছেলেদের উচ্ছ্বাস ভেসে আসছে।শাহাদ তাকিয়ে দেখল আউটহাউসের ছাদে দাঁড়িয়ে ছেলেরা হই হুল্লোড় করছে। শাহাদ কুহুর দিকে তাকিয়ে বলল-
” রুমে যাওয়া যাক। ছেলেরা এখন হই হুল্লোড় করবে।শব্দ হবে অনেক।”

কুহু মাথা নাড়িয়ে সায় জানালো। শাহাদের পিছু পিছু পা টিপে টিপে ঘরে আসলো। শাহাদ ঘরে ঢুকে ঘরের দরজা লাগিয়ে দিয়ে পকেটে দুহাত গুঁযে দেয়ালের সাথে হেলান দিয়ে দাঁড়ালো।শান্ত দৃষ্টিতে কুহুর দিকে তাকালো। কুহু ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে হাত থেকে চুড়ি খুলছে, এগুলো খোলা হয় নি আগে।খোলার ফাঁকে একবার আড়চোখে শাহাদকে দেখলো। শাহাদকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে বুকের ভেতরে ঢেউ খেলে গেলো। কাঁপা কাঁপা কন্ঠে জিজ্ঞেস করলো-
“এভাবে কি দেখছেন?”

শাহাদের সোজা উত্তর-
“বউ দেখি,আগে কখনো দেখিনি।”

কুহুর হাসফাঁস লাগলো। লজ্জামিশ্রিত অস্বস্তিতে মরে যাচ্ছে সে। শাহাদ এগিয়ে এসে দু’হাতে কুহুর হাত ধরলো। শেষ একটা চুড়ি খুলতে খুলতে বললো-
” এই প্রথম কাউকে সাজ খুলতে দেখলাম। মেয়েদেরকে সাজ খুললেই বোধ হয় সবচেয়ে সুন্দর লাগে। এক কাজ করলে কেমন হয় তুমি প্রতিদিন এভাবে ভারী গহনা পড়ে সাজবে তারপর রাতে আমার সামনে বসে বসে সাজ খুলবে।হুম?”

কুহুর ঠোঁট দুটো ফাঁক হয়ে গেলো।শহাদের দিকে তাকিয়ে দেখলো তার চোখেমুখে কিছুটা দুষ্টুমির আভাস। কুহু শাহাদের হাত থেকে হাত ছাড়িয়ে নিলো। একটা নরমাল শাড়ি নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেলো, অর্থাৎ এক প্রকার পালিয়ে গেলো। শাহাদ শব্দ করে হাসলো।সে বেশ উপভোগ করছে কুহুকে।

কুহু বের হয়ে আসতেই শাহাদও টি শার্ট ট্রাউজার নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেলো ফ্রেশ হতে। কিছুক্ষন পর বের হয়ে দেখলো কুহু বিছানার উপর পা তুলে বসে আছে। হাতের আঙুলে শাড়ির আঁচল পেচাচ্ছে৷মুখের মেকাপ কিছুটা উঠেছে কিন্তু সব উঠে নি, কোমড় সমান চুলগুলো ছেড়ে দেয়া। ল্যাপ্টানো কাজল আর খোলা চুলে কুহুকে দেখে শাহাদ প্রেমে পড়লো।

শাহাদ এতক্ষনে খানিকটা নার্ভাস অনুভব করলো। কুহুর পাশে বিছানায় উঠে বসবে ভেবেও কিছুটা ভয় ভয় লাগছে।কুহু তার সম্পর্কে কি ভাবছে কতটুকু ভাবছে তাও তো সে জানে না। শাহাদ এটা ওটা চিন্তা করে ঘাড়ে হাত বুলালো তারপরে ঠাস করে লাইট অফ করে দিলো।লাইট অফ করার সাথে সাথে কুহু চমকে গিয়ে চিৎকার করে উঠলো-
“লাইট অফ করলেন কেন?”

শাহাদ তড়িৎ বেগে লাইট জ্বালালো। তার চোখমুখে বিচলিত ভাব স্পষ্ট। জিজ্ঞেস করলো-
“লাইট জ্বালিয়ে ঘুমাবে?”

কুহু ইতিউতি তাকালো। সে তো ইচ্ছা করে এভাবে চিৎকার দেয় নি আচমকা চমকে গিয়ে চিৎকার করেছে। শাহাদ কুহুর অস্বস্তি টের পেলো। বললো-
“বেডসাইড ল্যাম্প জ্বালিয়ে রাখলে চলবে?”

“হুম।”

কুহু তার পাশের টেবিল ল্যাম্পটা জ্বালিয়ে দিলো।শাহাদ ঘরের লাইট অফ করে দিলো। টেবিল ল্যাম্পের মৃদু আলোয় ফুল সজ্জিত ঘরটা এক অন্যরকম আবহ সৃষ্টি করলো।শাহাদ বিছানায় নিজের জায়গায় গিয়ে বসলো। কিছুক্ষন চুপ থেকে জিজ্ঞেস করলো-

“নাকের ব্যথা কমেছে?”

কুহু নাকে হাত বুলালো।গত রাতেই সে ব্যান্ডেজ খুলে ফেলেছিলো।চামড়া উঠে যাওয়া জায়গাটা প্রায় অনেকখানি শুকিয়ে যাওয়ায় আজ আর ব্যান্ডেজ লাগায় নি। সে বললো-
“কমেছে। আপনার কপালের ক্ষতটা ভালো হয়েছে?”

শাহাদের কপালের ক্ষতটা এখন ছোট করে ব্যান্ডেজ করা। সে উত্তর দিলো-
“আর এক দুদিনে সেরে যাবে।”

শাহাদ কুহুকে ভালো করে লক্ষ্য করলো। এক পায়ের আঙুল দিয়ে আরেক পা ঘষছে,হাত দুটো উদ্দেশ্যহীন নড়াচড়া করছে, চোখের দৃষ্টি এলোমেলো, শ্বাস প্রশ্বাস অস্থিরতায় ভরা।শাহাদ কুহুর অবস্থা বুঝলো। কুহুকে আশ্বস্ত করে বললো-

“আমার মনে হয় আমাদের আগে দুজন দুজনকে চেনা উচিত। তারপর নাহয়……… বলতে চাচ্ছি আগে প্রেম হোক তারপর না হয় পরিণয়।”

শাহাদের কথা শুনে কুহুর অস্থিরতা কিছুটা কমলো।মিশ্র অনুভূতির জোয়ারে তার মন প্রাণ ভেসে যাচ্ছে। কখনো লজ্জামিশ্রিত ভয় জেঁকে বসছে তো কখনো নব্য প্রেমের আনন্দ। মিশ্র অনভূতির দন্দ্বে কুহুর নিশ্বাস বন্ধ হওয়ার অবস্থা হয়েছিলো।এইবার নিজেকে কিছুটা শান্ত করে বলল-
“আপনি যে এত রোমান্টিক তা আগে জানতাম না।”

শাহাদ চিৎ হয়ে শুয়ে পড়লো।এক হাত মাথার নিচে দিয়ে কুহুর দিকে তাকিয়ে বলল-
“আগে তুমি আমার বউ ছিলে না,এখন বউ হয়েছো।”

কুহু শাড়িটা ভালো করে ঠিকঠাক করে শাহাদের দিকে কাত হয়ে শুয়ে পড়লো। সে চাইলেও শাহাদের দিকে পিঠ দিয়ে শুতে পারলো না। শুয়েই চোখ খিচে বন্ধ করে ফেললো। শাহাদ আর কুহুকে অস্বস্তিতে ফেলতে চাইলো না সে নিজেও চোখ বন্ধ করে ফেললো।কুহু এক চোখ অল্প করে খুলে দেখলো শাহাদ ওর দিকে তাকিয়ে আছে কিনা। না,তাকিয়ে নেই।শাহাদ চোখ বন্ধ করে আছে।এইবার কুহুর অস্বস্তি কিছুটা কাটলো। সে চোখ বন্ধ করে ঘুমানোর চেষ্টা করলো।

———–
রাহাত দুতলায় করিডোরের রেলিং ধরে বিরস মুখে দাঁড়িয়ে আছে। রাত বাজে বারটার উপর অথচ তার বউ দিব্বি ড্রয়িং রুমের সোফায় পা ছড়িয়ে বসে মা-চাচীদের সাথে আড্ডা দিচ্ছে। শুধু তার বউ না এই আড্ডায় রাহাতের মাও আছে। রাহাতের খুব কষ্ট হলো তার বাবার জন্য। অন্য জায়গায় এলে তার বাবার ঘুমের সমস্যা হয়, একটু পর পর পানি পিপাসা পায়।স্বামীর এত সমস্যার মাঝেও রাহাতের মা দিব্বি পান চিবাতে চিবাতে আড্ডা দিচ্ছে। আর আনিশা ত সমস্ত সীমা অতিক্রম করে ফেললো।রাহাত এতবার সিগন্যাল দিলো অথচ সে দেখেও না দেখার ভান করলো।যেমন শ্বাশুড়ি তার তেমন ছেলের বউ।রাহাত সিদ্ধান্ত নিলো এই শেষবার সে আনিশাকে ঘরে আসতে সিগন্যাল দিবে, এখন না আসলে সে দরজা লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়বে।আনিশা আজ রাত স্বামী ছাড়া থাকবে,এটাই আনিশার শাস্তি।

রাহাত আনিশার দিকে তাকিয়ে হাত উঁচু করে নাড়লো। আড়ালে থেকে উঁকি মেরে মুখে শিস বাজালো। কিন্তু কোনো কিছুই কাজে আসলো না। এইবার রাহাত দুহাত উপরে তুলে নাড়লো চাপাস্বরে ফিসফিস করে “অনি,অনি” বলে ডাকলো। রাহাতের হাত নাড়া মালার চোখে পড়লো। সে আনিশাকে ডেকে বললো-
“বড় আপা দেখেন দুলাভাই দুই হাত উপরে তুইলা কি করতাছে।”

তারপর গলা ছেড়ে ডাকলো-
“ও দুলাভাই, আপনি কি নাচতাছেন নাকি?”

মালার কথায় ড্রয়িং রুমে থাকা সবাই রাহাতের দিকে তাকালো। রাহাত হাত নামিয়ে নিলো।শ্বাশুড়ি, চাচী শাশুড়ী সহ সবাইকে এক যোগে তাকাতে দেখে হতভম্ব হয়ে গেলো। আনিশার দিকে তাকিয়ে দেখলো আনিশা এমন এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে যে দৃষ্টির অর্থ “একটু দেরী সহ্য হয় না?”। রাহাতের মাও ছেলের এমন কান্ডে বিরক্ত চোখে তাকালেন।মা বউ দুজনের কাছ থেকে এমন অপমানিত হয়ে রাহাত কষ্ট পেলো।সে সবার দিকে তাকিয়ে জোর করে হাসলো তারপর তাড়াতাড়ি করে ঘরে ঢুকে পড়লো। ঘরে ঢুকে বিছানায় থম মেরে বসে রইলো৷ বাপের বাড়ি আসলে মেয়েদের পাখা গজায়।আনিশারও গজিয়েছে। আজ আসুক ঘরে, পাখা দুটো গোড়া থেকে কেটে দিবে।।

রাহাতের ভাবনার মাঝেই আনিশা ঢুকলো ঘরে। রাহাতের দিকে একবার তাকিয়ে দরজা লাগিয়ে দিলো। রাহাত কঠিন চোখে তাকালো। গমগম করে বলল-
” দাঁড়াও,আজ তুমি এ ঘরে ঢুকবে না।যাও,যেখানে ছিলে সেখানে ফিরে যাও।”

আনিশার হাসি পেলো রাহাতের রাগ দেখে। সে রাহাতের পাশে বসে রাহাতের এক বাহু জড়িয়ে ধরলো। রাহাত অন্যদিকে মুখ করে নিজের হাত ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য টানাটানির ভান করলো। এমন একটা ভাব করলো যে সে খুব ছাড়াতে চাচ্ছে কিন্তু আনিশাই ধরে রেখেছে। আনিশা রাহাতের বাহুতে থুতনি ঠেকিয়ে আদুরে গলায় বলল-
“বলছিলাম কি অনেকদিন শাড়ি পড়ি না।মা আমাকে একটা কালো রঙের শাড়ি দিয়েছে।কিন্তু শাড়িটা পড়ব না,রেখে দিব।কারন শাড়িটা অনেক পাতলা।পেট দেখা যায়।”

রাহাত ঝট করে আনিশার দিকে ফিরলো।তার চোখ জ্বলজ্বল করছে।বললো –
“তাই নাকি!! একটু পড়ে আসো,দেখি কেমন পাতলা।।”

আনিশা দুখী দুখী ভাব করে বলল-
“নাহ! পড়বো না। তুমি বলেছো চলে যেতে। তাই আমি চলে যাব, স্বামীর আদেশ মানব।”

রাহাত অস্থির হয়ে বললো –
“বিশ্বাস করো, আমি ইচ্ছে করে বলিনি। মতিভ্রম হয়েছিলো আমার। তুমি যেও না।”

“ঠিক আছে যাব না।”

“তাহলে শাড়িটা পড়ে আসো। বেশি পাতলা হলে আমি নিজে গিয়ে ফেলে দিয়ে আসব।আমার বউ পাতলা শাড়ি পড়বে না,কিছুতেই না। যাও না,পড়ে আসো প্লিজ।”

রাহাতের অনুরোধ করা দেখে আনিশার হাসি পেলো। একটু আগেই রেগে বোম হয়ে থাকা ছেলে এখন অনুরোধ করছে। আনিশা উঠে গিয়ে আলমারি থেকে কালো জামদানি শাড়িটা নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেলো।

———–
হিশাম বাড়ির ছাদে বসে আছে।তার সামনের চেয়ারে নাইমুর। নাইমুর পায়ের উপর পা তুলে সিগারেট ফুঁকছে। তার পাশে মিজান দাঁড়িয়ে আছে। হিশাম নিজের হাতের সিগারেটটা এশট্রে তে রেখে বলল-

“শাহাদ খানের বিয়ে হয়ে বাসর হয়ে যাচ্ছে তাও কিছুই কর‍তে পারলে না।তোমার কাজ মিস হয় না বলেই কাজটা দিয়েছিলাম। অথচ ফলাফল কি পেলাম? তোমার নিজের লোকই এখন শাহাদ খানের জিম্মায়। শাহাদ খান এমনিই ওকে আটকে রাখে নি।ওর কাছ থেকে সমস্ত ইনফরমেশন বের করবে।”

নাইমুর ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে বললো-
“করুক।তারপর ওই ইনফরমেশন দিয়ে বউ নিয়ে মুড়ি মাখিয়ে খেয়ে ফেলুক।আমার পক্ষ থেকে এটা ওর বিয়ের গিফট। ”

এমন খামখেয়ালি কথাবার্তায় হিশাম রেগে গেলো।চোয়াল শক্ত করে বলল-
“মশকরা করো আমার সাথে?”

“নাহ,মশকরার সময় নেই।আসিফ কাজ টা করতে পারেনি নাকি ইচ্ছা করে করেনি তা আমি শিউর না। ইচ্ছে করে করুক আর অনিচ্ছায় করুক, ওকে ওর বউ বাচ্চাসহ ম*রতে হবে।চিরকাল তো আর শাহাদ খান তাকে নিজের জিম্মায় রাখবে না।আর বাকি থাকলো শাহাদ খানের কথা?আমি যেহেতু দায়িত্ব নিয়েছি আমি দায়িত্ব পালন করব।তবে…….”

“তবে আবার কি?”

“শাহাদ খানের সাথে খেলাটা জমবে ভালো। একবারে মে*রে ফেললে মজা পাব না।নতুন নতুন বিয়ে করেছে, বউ পেয়েছে। একটু খেলি ওর সাথে,ওর খেলার স্টাইলটা একটু দেখি।”

“যা খুশি করো কিন্তু নির্বাচনের আগেই কাজ হওয়া চাই।”

নাইমুর কাঁধ ঝাঁকিয়ে বললো –
“হয়ে যাবে। আপনি বললে বউসহ মে*রে দিব।”

চলবে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here