যখন তুমি এলে
লেখা : জাহান লিমু।
পর্ব : ৩০।
যেটা ভাবছিলো,তার চেয়েও বাড়াবাড়ি বিষয়টায় ঘটলো। সাচী বিস্ময়ে হতভম্ব!
বলা নেই,কওয়া নেই, হুঁট করে একবার দেখেই সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব?
ছেলেটাকে দেখে যতটা ছ্যাঁচড়া মনে হয়েছিলো,মনে হচ্ছে সেটা ভুল। তার চেয়েও কয়েক গুন বেশি ছ্যাঁচড়া সে। অন্তত এখনকার যুগে,আগেকার সে সস্তা ট্রিকসগুলো ফলো না করলেও চলে। যে কোথাও মেয়ে দেখলেই,আচমকা স্বপরিবারে মেয়ের বাড়ি গিয়ে উপস্থিত।
এমনিতেই সাচী টেনশনের মধ্যে ছিলো,বাসায় এসে এটা শুনে মেজাজ আরো বিগড়ে গেলো। সে বাবাকে সরাসরি এখন বিয়ে করবেনা বলে, মানা করে দিলো। যদিও ওর বাবা এতে ওকে ভুল বুঝলো। ওর বাবা বারবার বলছিলো যে,তুই ঐ ছেলের জন্য তোর জীবন কেন নষ্ট করবি?
সে তো একদিনের জন্যও, তোর কোন খোঁজ নেয়নি। আজ পাঁচ-ছয় মাস হয়ে গেছে,অথচ সে লাপাত্তা।
এটা কোন সম্পর্ক ছিলো নাকি?
ঐসব কয়েকদিনের সম্পর্ক আজকাল কিছুনা। অনেকেরই হয়। তাই বলে কেউ থেমে থাকেনা। আর ঐ ছেলে কোথায় কি করছে,তা কি তুই জানিস?
সে যে তোর অপেক্ষায় বসে আছে,এটার কোন গ্যারান্টি আছে?
এতোদিনে হয়তো বিয়ে করে ফেলেছে দেখ গিয়ে। শুনেছি অস্ট্রেলিয়া থেকে নাকি আগে পড়াশোনা করতো। সেখানে যে কেউ ছিলো না,সে বিষয়ে কোন নিশ্চয়তা আছে?
নেই। তাহলে তুই বোকার মত এখনো তার স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছিস কেন?
তুই তো এমন ছিলি না। ছোট থেকেই বয়সের তুলনায়, তোর ম্যাচিউরিটি বরাবরই বেশি ছিলো। তাই তোর এখনের আচরণ আমাকে ভীষণ আহত করছে।
বাবার কথাগুলো সাচীকে স্তব্দ করে দিলো। বাবা যা বলছে,তা যে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, এমনটা ভাবার অবকাশ নেই। সাচী জানেনা,তুহিন নামটা চিরদিন সাচীর মনজমিনে উড়বে,নাকি কোন ঝড় এসে সে নাম মুছে দিবে। এখন হয়তো মনে একটা আশা আছে,কিন্তু বাবার কথা যদি সত্যি হয়!
সাচী ভাবতে পারছেনা আর।
এরমধ্যে এই পাগল লোকটা এসে আরো ঝামেলা বাঁধিয়ে দিলো। রাগে,দুঃখে মাথার চুল ছিঁড়তে মন চাইছে সাচীর।
আসলেই মানুষ যতক্ষণ না প্রেমে পড়ে,ততক্ষণ তার জীবনটা রেললাইনের মত সরলপথে চলতে থাকে। প্রেমে পড়লেই,ক্রসিংয়ের মত এদিক-সেদিক থেকে সমস্যারা ছুটে আসতে থাকে। মনে হয় এর আগে সমস্যাগুলো মৌচাকে জমা হয়ে থাকে। কেউ প্রেমে পড়লেই, সেই মৌচাকে অদৃশ্য ঢিল পড়ে। আর মৌমাছির ন্যায়, সমস্যারা বুম বুম করে ছুটে আসে। রাজ্যের বিরক্তি নিয়ে বিছানায় দপ করে শুয়ে পড়লো সাচী। যখনি নিজেকে একটু রিফ্রেশ করতে নেই,তখনি উটকো ঝামেলা এসে উপস্থিত হয়৷ তবে এই লোকটা যে,এতোদূর এগিয়ে যাবে,সেটা সাচী ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করেনি। বলা নেই,কওয়া নেই, চলে আসছে বিয়ে করতে। এই পাগলের বিয়ের শখ যদি না মিটাচ্ছি!
কিন্তু কি করবে সে?
কোন বুদ্ধিই তো মাথায় আসছেনা। প্রয়োজনে যদি মস্তিষ্ক কাজ না করে,তবে এ মস্তিষ্ক রেখে কি লাভ?
কি সব আবোল-তাবোল ভাবছে সাচী। এই পাগলের সাথে সাথে কি ওর মাথাও খারাপ হয়ে যাচ্ছে নাকি!
কুল সাচী,কুল। ঠান্ডা মাথায় ভাব। বিয়ে তো এখন করবিই না,এট এনি কস্ট। কিন্তু এই পাগলকে রাস্তা থেকে সরানোর একটা চমৎকার উপায় খুঁজে বের কর। যেন সাপও মরে,লাঠিও না ভাঙে।
কিন্তু উপায়টায় তো সাচীর মাথায় আসছেনা। নিজের প্রতি,নিজেই চরম হতাশ সে। তাই মুখ ভোঁতা করে বসে রইলো । সহসা ফোনটা বেজে উঠলো। স্ক্রিনের নাম্বারটা দেখে কিঞ্চিত চোখ কুঁচকে তাকালো সে। এখন আবার কেন ফোন দিয়েছে? তখনতো খুব ভাব নিয়েছিলো। একবার রিং বেজে কেটে গেলো,সাচী ধরলনা। এভাবে পরপর দু’বার বাজার পর সাচী ফোনটা রিসিভ করলো। সাথে সাথে ওপাশ থেকে যে কথাটা শুনলো,সেটা মুহুর্তেই সাচীর মুডটাই ফুরফুরে করে দিলো। ভুলে গেলো একটু আগের সব প্যারা।
আর মনে মনে বললো,এতক্ষণে লাইনে এসেছো চান্দু। তখন সাচীর কথাটা পাত্তাই দিলো না। হঠাৎ করে এখন কি হলো যে,আচমকাই রাজি হয়ে গেলো। যাক,রাজি হয়েছে, সেটাই ঢের। তাই কথা না বাড়িয়ে ছোট্ট করে ধন্যবাদ জানিয়ে ফোন কেটে দিতে নিলো সাচী। তখনি আরাদের প্রশ্ন শুনে থমকে গেল। আরাদ কি করে জানলো যে!
সাচীকে চুপ থাকতে দেখে আরাদ বুঝতে পারলো যে,সে যেটা অনুমান করেছে, সেটাই ঠিক। তাই আরাদ বলতে লাগলো,
আপনাকে যখন কথা দিয়েছি,তুহিনের সাথে আপনার প্যাঁচআপ করিয়ে দিবো,তখন দিবোই। এরমাঝে যত উটকো ঝামেলাই আসুক না কেন,সেটার সমাধান করার দায়িত্ব আমার। আপনি সে বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকুন।
সাচী বিড়বিড় করে কি যেন বললো,আরাদ ঠিক ধরতে পারলনা। তবে অনুমান করেছে, সাচী তুহিনকে উদ্দেশ্য করেই কিছু একটা বলেছে। আরাদও মাঝে মাঝে ভেবে পায়না,এটা কেমন ভালোবাসা?
নিজেকে আড়াল করে রেখে কি লাভ?
ভালো না বাসলে,সম্পর্ক না রাখতে চাইলে সেটা সামনে এসে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিক। এভাবে লুকোচুরি খেলার কি মানে? মুখে ব্রেকআপ বললেই কি ব্রেকআপ হয়ে যায়?
অনেক সময় হাজার বার আই লাভ ইউ বললেই যেমন, ভালোবাসার গভীরতা প্রকাশ পায় না,ঠিক তেমনি ব্রেকআপ বললেই, ভালোবাসা ধোঁয়ার মত উড়ে যায় না।
ভালোবাসা না কারো কথায় আসে,না কারো কথায় চলে যায়। এটা পুরোটাই হৃদয়ের রাসায়নিক বিক্রিয়া। সেখানে মস্তিষ্ক থেকে উদ্ভুত কোন কথার ভিত্তি নেই। ভালোবাসা মস্তিষ্কের কথায় ধার ধারে না। কেননা হৃদয় আর মস্তিষ্ক পরস্পর বিপরীত মুখী অবস্থানে বিরাজ করে। হৃদয় যদি হয় উত্তর মেরু,মস্তিষ্ক তবে দক্ষিণ মেরু। যদিও একে অপরকে আকর্ষণ করে,কিন্তু এক হওয়ার কোন সুযোগ নেই।
আরাদ তার ভাবনাগুলোকে বাক্সবন্দি করে রেখে,বর্তমান সমস্যার প্রতি মনোযোগ দিলো। একসময় সাচীকে বললো, ঐ মালটার সাথে দেখা করার জন্য। সাচীর সামনে অবশ্য মাল বললোনা,নাম ধরেই সম্বোধন করলো। সাচী রাজি হতে চাইছিলোনা। কিন্তু আরাদ ওকে বুঝালো,যেন সাচী ঐ মালকে কোথাও দেখা করতে আসার জন্য বলে। বাকী কাজ যা করার,আরাদই করবে। সাচী আরাদের কথার মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝতে পারলনা। দেখা করলে তো আরো বিপদ বাড়বে। কিন্তু আরাদ যেহেতু এতো নিশ্চয়তা দিয়ে বলছে,তাহলে নিশ্চয়ই কিছু ভেবেই বলছে। কেন যেন আরাদকে ভরসা করতে সাহস পেলো সাচী। তবুও বুকে অজানা আতঙ্ক কাজ করছে। একটা অদ্ভুত দু’টানা বিরাজ করছে মনে। দেখা করাটা কি ঠিক হবে? যদি হিতে বিপরীত হয়ে যায়?
তাছাড়া ঐ পাগলের নাম্বার সংগ্রহের জন্য বাবার রুমে যেতে হবে। ব্যাটা পাসপোর্ট সাইজ ছবিসহ,বায়োডাটা রেখে গেছে। কি ফর্মালিটিস রে বাবা। সাচীর বাবা তখন বায়োডাটাটা দেখাতে চেয়েছিলো,সেই রাগে দেখিনি। আচ্ছা, কাগজটা কি এখনো ড্রয়িংরুমের টেবিলেই আছে? সেটা ভেবে সাচীর চোখ চকচক করে উঠলো। বুলেট গতিতে সে ড্রয়িংরুমে গেলো।
এবং অপ্রত্যাশিতভাবে কাগজটা পেয়ে গেলো। বাবাও বোধহয় রাগে ফেলে রেখে গিয়েছে। সাচী কাগজটা নিয়ে চুপচাপ নিজের রুমে চলে এলো।
তবে তার বাবা যে তাকে কাগজটা নিতে দেখেছে,সেটা সে টের পেলো না। শফিকুর মেয়ের এহেন কান্ডে মুচকি হাসলেন। মনে মনে ভাবলেন, সব মেয়েই বিয়ের কথা শুনলে কি ওমন রিয়েক্ট করে?
আচ্ছা, তাও যদি এখন দেখে রাজি হয়ে যায়, সেই ভালো। বয়সতো আর কম হলো না। মেয়েটার একটা ব্যবস্থা হলে,এবার নিশ্চিন্ত। ছেলেটার তো মতিগতি কিছুই বুঝিনা। আজ পর্যন্ত একটা প্রেমটেম করলো না। মনে হয় সন্ন্যাসী হয়ে যাবে। কি যে করে সারাদিন রুমে বসে।
ছেলের বউয়ের হাতের খাওয়ার সৌভাগ্য বোধহয় উনার কপালে নেই। একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন তিনি।
বিরুনিকা মেয়েটাকে উনার ভীষণ পছন্দ। কি ভীষণ লক্ষী একটা মেয়ে। এমন একটা মেয়েকে ছেলের বউ হিসেবে পেলে,মন্দ হতো না। কিন্তু তার চালচুলোহীন ছেলের কাছে,কে মেয়ে দিবে?
চাকুরির কোন চেষ্টাই করেনা ছেলেটা। কি সব স্ক্রিপ্ট নিয়ে পড়ে থাকে। এসব করে কি জীবন চলবে?
তাও যদি কোথাও সিলেক্ট হতো। ছেলেটাকে নিয়ে বড্ড চিন্তা হয় শফিকুরের।
রুমে এসে বায়োডাটাতে চোখ বুলালো সাচী। যদিও তার উদ্দেশ্য কেবল ফোন নাম্বারটা। তবুও পুরো বায়োডাটাটা পড়লো সে। ব্যাটা চবির স্টুডেন্ট। একবাপের একপুত,নাম রাখছে বিস্কুট। কথাটা বলেই সাচী হেসে কুঁটিকুঁটি হলো। আর কোন ভাইবোন নেই তার। আচ্ছা আর ভাইবোন থাকলে তাদের নামগুলো কেমন হতো?
মেঘ,বৃষ্টি, ঝড়,তুফান….
আচমকায় সাচী বেশ অবাক হলো। একটু আগের অস্থির ভাবটা কেটে,কেমন স্বাভাবিক হয়ে গেছে সে। আরাদের সাথে কথা বলেই কি এতোটা হালকা লাগছে?
নাকি আরাদকে ভরসা করছে দেখে,নিজের ভাবনাটা দূর হয়ে গেছে?
হতে পারে।
সে যায় হোক। একটা হলেই হলো। এখন সমস্যার সমাধান হলেই নিশ্চিন্ত মনে শর্টফিল্মের কাজ শুরু করতে পারে সে।
.
সাচী,বাদল মুখোমুখি একটা টেবিলে বসে আছে। আরাদ এখনো আসছেনা কেন,সেটা ভেবে পাচ্ছে না সাচী। দশমিনিট যাবত দুজন এভাবে বসে আছে। বকবক বাদলও চুপ, ভাবা যায়?
ব্যাটা হয়তো শকে আছে। মেয়ে নিজ থেকে এভাবে দেখা করার জন্য ডেকেছে,বিষয়টা একটু গোলমেলে লাগছে তার। যদিও আজকালের যুগে এটা অস্বাভাবিক কিছু না। তবে বকবক বাদলের বোধহয় একটু বদহজমের সমস্যা আছে। তাই শকে আছে। অতিরিক্ত শকে, মানুষের ব্যবহার পরিবর্তন হয়ে যায়। তাই খই ফুঁটানি বাদলও,চুপসে গেছে।
একসময় তার মুখে খই ফুটলো। কিন্তু সাচী তার কথায় পাত্তা না দিয়ে, বারবার এদিক-ওদিক তাকাচ্ছিলো। একটা খোলা জায়গায় ক্যাফেটা অবস্থিত। চারদিকে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা। আউটডোর ক্যাফে বলা চলে। আরাদই এই জায়গাটার সন্ধান দিয়েছে সাচীকে। এর আগে সে কখনো আসেনি এখানে। বোধহয় নতুন হয়েছে কফিশপটা। তবে পরিবেশটা সাচীর মনটা ফুরফুরে রাখছে। আর নয়তো এতক্ষণে এই বকবকের সামনে বসে থাকাটা দুষ্কর ছিলো। সাচী অনেক কষ্টে হাসি মুখ করে কথাগুলো শুনার চেষ্টা করছে। যদিও একটা কথাও সাচীর কর্ণকুহরে প্রবেশ করছেনা। বৃথা বকবক করে নিজের গলা শুকিয়ে ফেলছে ব্যাটা।
শুঁকাক!
গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাক। লাগলে সাহারা মরুভূমি হয়ে যাক। তবুও সাচী মেহতাজকে বিয়ে করার স্বপ্ন নিপাত যাক।
সাচীকে এমন উসখুস করতে দেখে,বাদল এবার থেমে গেলো। সে নিজেও এবার বুঝতে পারলো,সাচী তার কথা পাত্তা দিচ্ছে না। তাহলে মেয়েটা এসেছে কেন?
না নিজে কোন কথা বলছে,না বাদলের কথা শুনছে। ভারী অদ্ভুত মেয়ে তো!
বিষয়টা বাদলের সুবিধার ঠেকছে না। কতক্ষণ কি যেন ভেবে, হঠাৎ বাদলের মুখটা শুকিয়ে গেলো।
অনেক নাটকে সে দেখেছে। কোন মেয়ের বাড়িতে প্রস্তাব নিয়ে গেলে,সে মেয়ে আলাদা দেখা করার কথা বলে,তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে আলাপ করিয়ে দেয়। সাচীও কি এমন কিছু করতে চলেছে? ওর কি বয়ফ্রেন্ড আছে? কথাটা ভাবতেই বাদলের মুখটা শুকিয়ে গেল। এতোদিনে একটা মেয়েকে পছন্দ হলো,আর তারও বয়ফ্রেন্ড আছে। কি কপাল শালা মাইরি!
আকাশের দিকে তাকিয়ে কাঁদো কাঁদো হয়ে বলতে লাগলো,একটা মেয়ে কি পাবোনা,যার বয়ফ্রেন্ড নেই?
এই যে, আমি কত ভালো ছেলে। কোন গার্লফ্রেন্ড নেই। আর আজকালের মেয়েগুলোকে দেখ,সবকয়টার বয়ফ্রেন্ড আছে। কিছু মেয়ে তো আবার সেই সেয়ানা। একসাথে কয়েকটা বাবু পুষে তারা। ছেলেমেয়েরা বিয়ে না করেই,বাবুর মা,বাবা হয়ে যায়। তাও আবার বুঁইড়া বুঁইড়া বাবুর। একরাশ বিরক্তি ঝাঁড়লো বাদল।
কিন্তু এই মেয়েটাকে দেখে তো বাদলের একদম ঐরকম মনে হয় না। কত নিষ্পাপ মুখটা। নাহ,এই মেয়ের বয়ফ্রেন্ড থাকতে পারেনা। কোনক্রমেই না। বাদল নিজে নিজেকে সর্বোচ্চ বুঝানোর চেষ্টায় লিপ্ত হলো। কিন্তু তার সব ভাবনায় নায়াগ্রা জলপ্রপাতের সব জল এসে পড়লো,যখন এইমুহুর্তে তার সামনে যা ঘটলো সেটা অবলোকন করলো সে।
একজন সুদর্শন যুবক,তারই নয়নসম্মুখে, তারই পছন্দের রমণীটির কপালে ঠোঁট ছুঁয়ে দিলো। চারশো চল্লিশ ভোল্টেজের শক খেলো সেই যুবক ব্যতীত,এখানে উপস্থিত বাকী দুজন!
#চলবে….