হৃদয়ের সন্ধিক্ষণ পর্ব ১৯

0
65

#হৃদয়ের_সন্ধিক্ষণ
#পর্বঃ১৯
#ফারিহা_খান_নোরা

‘আশা বেগম যখন পনেরো বছরের কিশোরী তখন নিজ গ্রামের খালেদ মনোয়ার এর সঙে সম্পর্কে জরিয়ে পড়ে।খালেদ মনোয়ার তখন চব্বিশ বছরের যুবক।এক সময় তাঁদের সম্পর্ক গভীর থেকে গভীরতর হয় যার ফলশ্রুতিতে আশা বেগমের গর্ভে আফসান আসে।তিনি যখন দেড় মাসের প্রে’গ’ন্যা’ন্ট।আশা বেগম সে খালেদ মনোয়ার কে জানালে তিনি কিছু একটা ব্যাবস্থা করবেন বলে কথা দেয়।খালেদ মনোয়ার তখন গ্রামের বে’কা’র ছেলে,ছোট বেলায় বাবা মা মা’রা গেছেন।তিনি মামার বাড়ি বড় হয়ছে,মামার জমিতে কাজ করে তিন বেলা পেটে ভাত পড়তো। ক্লাস সেভেন অবধি‌ও লেখাপড়া করেন নি তিনি,এই অবস্থায় তিনি আশা বেগমের দায়িত্ব নিতে পারবেন না।যেখানে সে নিজেই অন্যের বাড়িতে আশ্রিত সেখানে বিয়ে করে ব‌উ রাখবে কোথায়? তার উপর সন্তান সম্ভাবা কিশোরী মেয়ে এসময় তার অধিক যত্নের প্রয়োজন।এসব দিক চিন্তা করে সে কাজের সন্ধানে লেগে পড়ে।এভাবে দুই দিন কেটে যায়। উপায় না পেয়ে গ্রামের বড় ভাইকে সব খুলে বললে তিনি একটা কাজের ব্যাবস্থা করে দিতে চাইলেন তবে কাজের জন্য শহরে যেতে হবে সেখানে গ্রামের বড় ভাইটার চাচা হোটেলে কাজ দিতে পারবে। খুশিতে খালেদ মনোয়ার এর মুখ চকচক করে।তিনি আশা বেগমের সাথে লুকিয়ে দেখা করে বলেন তাকে সাত দিন সময় দিতে আর ব্যাপারটা যেকোনো ভাবে লু’কি’য়ে রাখতে।।সাত দিন পর এসে তাঁকে লোক দেখানো বিয়ে করে নিজের সাথে শহরে নিয়ে আসবে।কারণ ইসলামে প্রে’গ’ন্যা’ন্ট অবস্থায় বিয়ে নিষিদ্ধ। এদিকে আশা বেগমের পারিবারিক অবস্থা‌ও ভালো না তার বাবা দিন আনে দিন খায়।আশা বেগমের বাবা ইলিয়াস মির্জার ফার্ম দেখাশোনা করে।

ইলিয়াস মির্জা মাঝে মাঝে গ্রামে এসে সব তদারকি করতেন। তেমনি এক ঝড় বৃষ্টির রাতে ইলিয়াস মির্জা আশা বেগমদের ছোট্ট কুটিরে আশ্রয় নেয়। কারণ গ্রামের রাস্তাঘাটের অবস্থা তেমন ভালো ছিলো না।আশা দের বাড়ি থেকে ইলিয়াস মির্জার ফার্ম অনেকটাই ভিতরে। আশা বেগমের বাবা মা ছিলো ভালো মানুষ। তাঁরা গরীবের ঘরে খাবার ব্যাবস্থা করেন।সেই খাবারে মধ্যে আশা বেগম নে’শা’র ওষুধ মিশিয়ে ইলিয়াস মির্জা ঘুমালে তার ঘরে ঢুকে পড়েন। কারণ আশা বেগম জানতেন সাম্প্রতি ইলিয়াস মির্জার স্ত্রী মা’রা গেছে ঘরে ছোট্ট ছেলে আছে আর তিনি অনেক বড়লোক তার ও তার অনাগত বাচ্চার কোনো কিছুর অভাব হবে না।’

এক নাগাড়ে কথা গুলো বলে খালেদ মনোয়ার একটু থেমে ইলিয়াস মির্জাকে উদ্দেশ্য করে বললেন,

‘তারপরের ঘটনা গুলো তো আপনি জানেন স্যার।’

ইলিয়াস মির্জার মনের পড়লো সেই কা’লো অতীত।সেই রাতে খাবার পর শুয়ে পড়তেই তার কোনো কিছু মনে ছিলো না।সকালে গ্রামবাসীর চিৎ’কা’র চেঁ’চা’মে’চি ও অ’ক’থ্য ভাষায় গা’লি’তে তার ঘুম ভেঙ্গে যায়।চোখ মেলে দেখে তার বুকের উপরে অ’র্ধ’ন’গ্ন হয়ে আশা বেগম ঘুমিয়ে আছে।সব কিছু ভেবে উঠার আগেই গ্রামবাসী দরজা ভে’ঙে ঘরে এসে ইলিয়াস মির্জাকে টেনে হেঁ’চ’ড়ে বাহিরে বের করে। তাঁদের একটাই কথা শহরের বড়লোক মানুষ ব‌উ মা’রা গেছে কয়দিন হলো।শরীরের টানে তিনি গ্রামে আশা বেগমের কাছে আসেন। তাঁদের দুজনকে এক ঘরে এই অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাঁরা এইটুকু ভালো ভাবেই বুঝে গেছেন। তাঁরা নিজ উদ্যোগে কাজী ডেকে সেই দিনই আশা বেগমরে সাথে ইলিয়াস মির্জার বিয়ে পড়িয়ে দেন।চব্বিশ বছর সংসার জীবণে তিনি বার বার সে রাতের কথা মনে করতে চেষ্টা করছেন তবে স্মৃতির পাতা পুরোটাই অ’ন্ধ’কা’র।আশা বেগমকে জিজ্ঞেস করলে তিনি কোনো ভাবে কথা কাটিয়ে নিতেন নয়তো নিজের শারীরিক আকর্ষণ দিয়ে সেই অবস্থায় ইলিয়াস মির্জাকে ভুলিয়ে দিতেন।

নিষ্প্রভ ও তুর পাশের সোফায় বসে আছে। নিষ্প্রভের আর এসব শুনতে ইচ্ছে করছে না।তখন ইলিয়াস মির্জার জন্য সে জীবণ ফিরে পেয়েছে। আশা বেগম যখন নিষ্প্রভের দিকে গু’লি ছুড়ে ঠিক তখনি ইলিয়াস মির্জা দৌড়ে এসে নিষ্প্রভকে সরিয়ে নিচে ফেলে দেয় তার সাথে সেও প’ড়ে যায়।এই সুযোগে মহিলা কিছু কনস্টেবল আশা বেগম কে হা’ত”ক’ড়া পরিয়ে নিয়ে যায়।যাওয়ার আগে আশা বেগম গজরাতে গজরাতে বলে,

‘তোদের কাউকে ছাড়বো না।সব কটাকে দেখে নিবো।’

ইলিয়াস মির্জা পুলিশ অফিসারকে বলে,

‘এই কাল নাগিনী ও তার ছেলে জেনো কিছুতে ছাড়া না পায়।এর উপর অনেক কয়টা মা’ম’লা দায়ের হবে আমি নিজেকে সামলিয়ে নিয়ে আপনার সাথে দেখা করবো। আপাতত এই ফোনটা নিন।এই ফোনে‌ এই মহিলার নোং’রা ভি’ডি’ও আছে।’

নিষ্প্রভ এসব ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে কাঠ কাঠ গলায় তুরকে বলে,

‘অনেক নাটক দেখা হয়েছে এখানে থেকে নাটকের পরিচালকদের কথা শুনে কি করবে উপরে চলো।’

তুর এই মুহূর্তে এই আশাটায় করছিলো কারণ শশুড়ের সামনে বসে বসে এসব নোং’রা কথা শুনতে কার ভালো লাগে।সে নিষ্প্রভের সাথে উপরে চলে আসে।

ওদের যেতে দেখে ইলিয়াস মির্জা গোপনে দীর্ঘশ্বাস দিয়ে বলল,

‘আমার ছেলে কি আমাকে কখনো ক্ষমা করবে? আমি যেসব করেছি এরপর আমি কোন মুখে ওর কাছে ক্ষমা চাইবো?’

খালেদ মনোয়ার বলে,

‘আপনি নিষ্প্রভের সাথে ঠিক কাজ করেন নি।সব সময় আশার কথায় উঠা বসা করতেন।সে নিষ্প্রভের নামে আপনার কাছে সব বানিয়ে বানিয়ে বলতো।আর আপনি তা বিশ্বাস করতেন।ওকে আপনি তখন চিনেছিলেন না।ও কি ধরনের মহিলা আমি জানি। আমি ওর থেকে সাত দিন সময় চেয়ে নিয়েছিলাম তাঁর মধ্যে তিন দিন না যেতেই আপনাকে ফাঁ’সি’য়ে বিয়ে করেছে। আপনি জানেন আফসান সময়ের আগেই সাত মাসে জন্ম নিয়েছে কারণ আফসানের জন্মের সময় আপনি তখন ব্যাবসার কাজে বিদেশে ছিলেন। আসলে আফসান সঠিক সময়েই জন্ম নিয়েছে।আশা আপনার থেকে ব্যাপারটা লুকিয়ে আপনাকে মি’থ্যা কথা বলেছে।কারণ আসল সত্য‌ গোপন রাখতে।’

ইলিয়াস মির্জা নিজের ভুল বুজতে পারেন। চৌত্রিশ বছরের এক বাচ্চার বাবা পনেরো বছর বয়সী কিশোরী মেয়ে আশাকে পেয়ে এতোটাই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিল যে,ঠিক ভুল সব ভুলে নিজের ছেলের সাথে প্রতিনিয়ত অ’ন্যা’য় অ’বি’চা’র করেছে।এসব ভাবতে ভাবতে ইলিয়াস মির্জা খালেদ মনোয়ার এর উদ্দেশ্য গমগমে স্বরে বলে,

‘আশা বিবাহিত জানার পরেও আপনি ওর সাথে যোগাযোগ রেখেছেন।এটা আপনি অ’ন্যা’য় করেছেন। আমি জানি ও খা’রা’প মহিলা ওর দ্বারা সব কিছু সম্ভব কিন্তু আপনি এতো কাহিনী করলেন কেন।আপনাদের এসব সম্পর্ক কতো দিনের?’

খালেদ মনোয়ার অনুশোচনার স্বরে বলে,

‘পুরানো ভালোবাসা বলে কথা স্যার। আফসানের যখন দুই বছর বয়স তখন হঠাৎ একদিন আশার সাথে আমার রাস্তায় দেখা হয়।আমাকে দেখে আশা প্রথমে ভয় পায়।আমি ওর সাথে স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলি।তখন আমার বাচ্চাটাকে দেখার জন্য আকুল হয়ে পড়ি।আশা অভয় দেয়,বাচ্চাটাকে একবার হলেও আমায় দেখতে দিবে।সে আমার ঠিকানা চাইলে আমি ওকে দিয়ে দেই। আপনি ব্যাবসার বেশিরভাগ সময়ই বাহিরে থাকতেন ,আশা সেই সুযোগে আমার বাড়িতে আশা যাওয়া করতো। আপনার অনুপস্থিতিতে আশা আমার সাথে শা’রী’রি’ক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং আমার মুখ বন্ধ রাখতে ও নিজেই প্রথমে টাকার অফার দেয় পরে আমি এটা কাজে লাগিয়ে ওকে ব্ল্যা’ক’মেইল করতে শুরু করি।’

ইলিয়াস মির্জা রা’গা’ন্বি’ত স্বরে বলে,

‘আপনি যা করেছেন আপনাকে যদি এই অবস্থায় পুলিশে দেই।’

খালেদ মনোয়ার একটু হেসে বলে,

‘আমি জানি আপনি দিবেন না স্যার। আমি আর যাই করি না কেন,আপনাকে এতো দিনের লুকিয়ে রাখা সব সত্য বলেছি।’

ইলিয়াস মির্জা গম্ভীর স্বরে খালেদ মনোয়ার কে যেতে বলে।যাওয়ার আগে এইটা বলে আপনাকে জেনো আমার বাড়ির আশেপাশে আর না দেখি। খালেদ মনোয়ার মাথা ঝাঁকিয়ে চলে যায়।

__________________

রুমের ভিতরে এসে তুর নিষ্প্রভের উপর ঝাঁ’পি’য়ে পড়ে। নিষ্প্রভ প’ড়’তে নিয়েও নিজেকে সামলিয়ে তুরের পিঠে হাত রাখে।তুর নিষ্প্রভকে শক্ত করে জরিয়ে ধরে উদ্বিগ্ন হয়ে বলে,

‘আমি তখন খুব ভ’য় পেয়েছিলাম আপনার যদি কিছু হয়ে যেতো!’

নিষ্প্রভ ভ্রু কুঁচকে তুরকে প্রশ্ন ছুঁড়ে,

‘হয়ে গেলে হয়ে যেতো তুমি তখন আরেকটা বিয়ে করে নিতে।’

তুর নিষ্প্রভের মুখে তাঁর ডান হাত দিয়ে বাঁ’ধা দেয় রা’গী কন্ঠে বলে,

‘এসব আর বলবেন না।’

‘ভালোবাসো আমায়?’

তুর কোনো উত্তর দেয় না।তুরের নিরবতা দেখে নিষ্প্রভ বলে,

‘যাহ্ বাবা ভালোবাসা স্বীকার করো না, আবার আমার মতো নিষ্পাপ পুরুষের চরিত্র হ’র’ণ করতে এভাবে জড়িয়ে ধরেছো। তুমি জানো না আমি বিবাহিত?’

নিষ্প্রভের এমন ফাইজলামি দেখে তুর নিষ্প্রভকে ছেড়ে দিয়ে । তাঁর বুকে এলোপাথাড়ে মা’র’তে শুরু করে।তুরের এমন কাজে নিষ্প্রভ হাসতে থাকে।হাসতে হাসতে বলে,

‘যে একটু শ’রী’র ছুঁ’য়ে দিলেই গলে যাবে সেই শরীর নিয়ে আমায় মা’র’ছে। তোমার দৃষ্টিতে যা মা’ই’র আমার দৃষ্টিতে তা ব‌উয়ের ছোঁয়া আদর’

বলেই নিষ্প্রভ তুরের দিকে ঠোঁট চোকা করে উড়ো কিস দেয়।তুর বেশ লজ্জা পেয়ে নিষ্প্রভকে ছেড়ে তার থেকে দূরে সড়ে আসে। প্রসঙ্গ পাল্টে তুর বলে,

‘বাবা আপনার জীবণ বাঁচিয়েছে। তবুও আপনি বাবার এই অবস্থায় একটু সহানুভূতি দেখালেন না।’

নিষ্প্রভ‌ সিরিয়াস ভঙ্গিতে বলে,

‘আমি বাবাকে আগেই সাবধান করেছিলাম কিন্তু তিনি উল্টো আমায় ভু’ল বুঝে আমাকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে।বাবার এই কাজের জন্য অই মহিলাটা‌ আমার উপর নানা রকম অ’ত্যা’চা’র করেছে।আমার ছোটকাল অই মহিলা দুর্বিষহ করে দিয়েছে যার একমাত্র কারণ আমার বাবা।আসল কথা কি জানো পুরুষ মানুষ ব‌উ পেলে পা’গ’ল হয়ে যায়।’

তুর ভাবুক কন্ঠে বলে,

‘আপনিও কি পা’গ’ল হয়েছেন?’

নিষ্প্রভ আড়চোখে তুরকে দেখে ঠোঁট কামড়ে বলে,

‘তুমি সেদিন রাত্রে আমাকে পা’গ’লে’র বাচ্চা বলেছো আমি কিন্তু শুনে নিয়েছি। আমার বাচ্চা কিন্তু এখনো পৃথিবীতে এন্ট্রি নেয় নি। তুমি পারমিশন দিলে অবশ্যই সেই কাজটা দ্রুত করবো।’

‘অসভ্য!’

বলেই তুর লজ্জা পেয়ে দৌড়ে ওয়াসরুমে ঢুকে পড়ে। নিষ্প্রভ জোরে হাসতে থাকে।এই মেয়েটাকে লজ্জা দিতে তার ভীষণ ভালো লাগে। লজ্জা পেলে তুরের মুখ লালচে বর্ণ ধারণ করে তখন তুরকে দেখতে সদ্য ফোঁটা লাল গোলাপের মতো দেখতে লাগে।

তুর রুমে এসে দেখে নিষ্প্রভ নেই।বেডের উপর ভাঁজ করে চিঠি দেখতে পেয়ে তুরের ভ্রু কুঁচকে যায়।সে দ্রুত পায়ে চিঠিটি খুলে পড়তে শুরু করে।

প্রিয়,
লাল গোলাপ,
তুমি যখন আমার কথায় লজ্জা পেয়ে দৌড় দেও তোমাকে তখন লাল গোলাপের চেয়ে কোনো অংশে কম লাগে না। সেজন্য এই সম্মধন করলাম। খবরদার এই জীবণে আর কারো সামনে তুমি ভুলেও লজ্জা পাবে না। আমি পৃথিবীতে যতোদিন বেঁচে আছি, তোমার লজ্জা পাবার কারণ আমি হবো আর আমিই তোমার লজ্জা নিবারণের কারণ হবো।এবার আসল কথায় আসি তুমি আমায় ক্ষমা করে দেও ব‌উ। সেদিন রাতে আমি তোমার সাথে অন্যায় করেছি। ছোটবেলা থেকে আমি পরিবার কি, তা বুজতে পারি নি।বিয়ের পর তোমায় ধীরে ধীরে ভালোবাসতে শুরু করি তবে প্রকাশ করি নি, তোমায় হারিয়ে ফেলার ভয়ে।এই ভ’য় থেকেই আমি তোমার সাথে খা’রা’প ব্যবহার করেছি।আমরা দুজন সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে পারি না? যেখানে তুমি আর আমি মিলে একটা পরিবার। আমার আলমারিতে একটা শপিং ব্যাগ আছে যেখানে শাড়ি আছে। তুমি সেদিনের মতো আজ ও আমার জন্য নিজেকে সাজিয়ে রেখো। আমি গতো বার ভু’ল করেছি তবে এবার ঠিক করবো। আমি আবারও ক্ষমাপ্রার্থী ।

ইতি,
তোমার পা’গ’ল বর।

চলমান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here