সূর্যোদয় পর্ব ৪

0
90

#সূর্যোদয়
#পর্বঃ_০৪
#কারিমা_দিলশাদ

৭.
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, আয়তনের দিক থেকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়। চারপাশে সবুজে ঘেরা। ব্রহ্মপুত্র নদের পাশ ঘেঁষে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়। নদের পাশে সুন্দর বসার জায়গা করা আছে। সেখানেই বসে আছে ইলোরা ইয়াসমিন। আজকে হঠাৎ করেই তার জীবনের পাওয়া না পাওয়ার হিসাব নিকাশ করার ইচ্ছা হলো।
এই বিশ্ববিদ্যালয়টা তার জীবনের সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। জীবনের বেশ বড় একটা সময় তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কাটিয়েছেন। প্রথমে শিক্ষার্থী হিসেবে এরপর শিক্ষিকা হিসেবে। জীবনের অনেক সুন্দর মুহূর্ত তিনি এখানে অতিবাহিত করেছেন।

ইলোরা ইয়াসমিন’রা দুই ভাই দুই বোন ছিলেন। দুজন ভাই’ই তার বড়। তিনি বাবা মা’র তৃতীয় সন্তান। সবার ছোট ছিল স্বপ্না। সেও মারা গেছে। আর রেখে গেছে তার মেয়ে স্মৃতিকে। যে তার কাছেই থাকে। স্মৃতিকে নিজের মেয়ের মতো বড় করছে সে।
অবস্থাসম্পন্ন পরিবারে ইলোরা ইয়াসমিনের জন্ম। তার বাবা স্বপ্না ছোট থাকতেই মারা যায়। তার মা পুরনো আমলের হলেও মেয়েদের পড়াশোনার বিষয়ে খুবই তৎপর ছিলেন। তাই আজ সে দেশের একটা সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের শিক্ষিকা। সমাজে তার এক আলাদা সম্মান আছে। তবে এর পিছনে আরেকজন মানুষ আছে। যার অবদানের কোনো তুলনা হয় না। তার জীবনসঙ্গী, তার স্বামী আহসানউল্লাহ কবির। যিনি পেশায় সেনাবাহিনীর মেজর ছিলেন। আজ কতগুলো বছর হলো তাকে একা ফেলে চলে গিয়েছেন তিনি। মাঝে মাঝে তার খুব রাগ হয়, কেন চলে গেল লোকটা। তাদের কত স্বপ্ন আর পরিকল্পনা ছিল। যা কেবল স্বপ্ন আর পরিকল্পনা হয়েই রয়ে গেল। তা আর বাস্তবায়ন করা হলো না। সব দায়িত্ব, কর্তব্য তার কাঁধে ফেলে চলে গেছেন তিনি। আর তার সবচেয়ে অমূল্য সম্পদ, তাদের দুজনের অংশ জয়কে তার কাছে স্মৃতি হিসেবে রেখে গেছেন।

তার চলে যাওয়ায় কতটা অসহায় হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তিনি কি করবেন না করবেন কিছু বুঝে উঠতে পারছিলেন না। নিজের জীবনের প্রথম এবং একমাত্র ভালবাসার প্রেমিক পুরুষকে হারিয়ে তিনি নিজেকে সামলাবেন, নাকি বাবা অন্ত প্রাণ ছেলেকে সামলাবেন কিছু বুঝে উঠতে পারছিলেন না। তার উপর দুঃসময়ে নিজের আপন ভাইদের দ্বারা ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছিলেন।

তার ভাই’রা চাইতো ছলাকলা করে তার সম্পত্তি হাতিয়ে নিতে। সরাসরি কখনো বলে নি, তবে উনিশ বিশ বুঝিয়ে কথার প্যাঁচে ফেলতে চাইতো। একে তো সদ্য স্বামীহারা নারী, নিজের এবং ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত তার উপর আপন মানুষদের এমন নিকৃষ্ট রুপ দেখে তিনি হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন। সেসময় তার পাশে দাঁড়ায় আকলিমা আক্তার। আহসানউল্লাহর একমাত্র বোন। তাদের আর কোনো ভাইবোন নেই। ইলোরা ইয়াসমিনের শশুর শাশুড়ীও বেঁচে নেই। তার দুঃসময়ে একমাত্র তিনিই তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

ইলোরা এবং আকলিমা দুজনের মাঝের সম্পর্ক সবসময়ই সুন্দর ছিল। সেই মিষ্টি মধুর সম্পর্কও আজ ফিকে পড়ে গেছে। পুতুলের ঘটনার পর আকলিমা আক্তারের সাথে তাদের সম্পর্ক কিছুটা মিইয়ে গেছে। যখনই কথা বলে আকলিমা আক্তার খুব অপরাধীর মতো কথা বলে। তিনি তার ভাইপোর জীবনের এই অবস্থার জন্য নিজেকে দ্বায় করে। ইলোরা ইয়াসমিন অনেক বুঝিয়েছে তবে আকলিমা আক্তারের দ্বিধা কাটে না।
আহসানউল্লাহ সাহেব মারা যাওয়ার পর এই ঘর সংসার, জয়ের দেখাভাল, পড়াশোনা, চাকরি সব একা হাতে সামলেছেন তিনি। সহজ ছিল না এই পথ।

এরমধ্যে ছেলের জীবনে ঘটে যায় এক ট্র্যাজিডি। পুতুলের প্রত্যাখান পাওয়ার পর জয় তার জীবনটা কেবল একটা ছকের মধ্যে আটকে ফেলেছিল। প্রথম কয়েকমাস তো রাতদিনের খোঁজ খবরও ছিল না তার। এরপর যখন একটু ধাতস্থ হলো তখন কেবল হসপিটাল টু বাসা আর বাসা টু হসপিটাল। এইটুকুই ছিল তার গন্তব্য। বাসাতেও যতক্ষণ থাকতো ততক্ষণ নিজের রুমেই ঝিম মেরে থাকতো। বাকি দুনিয়াদারীর কোনো হুশ জ্ঞান ছিল না। ছেলের এমন অবস্থা দেখে ইলোরা ইয়াসমিন হতাশায় ডুবে যান। ছেলের সাথে তিনি কথাও বলতে চেয়েছেন। কিন্তু জয়ের হদিস পাওয়াটাই মুশকিল হয়ে গিয়েছিল। সারাক্ষণ হসপিটালে পড়ে থাকতো আর বাসায় এলে নিজের ঘরে বন্দী হয়ে থাকতো। তাও যতবার তিনি গিয়েছেন কথা বলতে ততবার ছেলের বিষন্ন, ভগ্ন চেহারা দেখে আর কিছু বলার ভাষা খোঁজে পেতেন না। তার সুদর্শন রাজকুমারের কি হাল হয়েছে এটা দেখেই তার দমবন্ধ হয়ে যেত। তাই নিজের কিছু শুভাকাঙ্ক্ষীর কথা অনুযায়ী ছেলের বিয়ে দেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লাগে। যদিও তিনি আরও কিছু সময় দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সবার কথা শুনে ভেবে দেখলেন নতুন কারো আগমনে ছেলের জীবনে পরিবর্তন আসতেও পারে। সেই ভাবনা থেকেই বিয়ের তোরজোর শুরু করেন। সেই সূত্রেই এক কলিগের বাসায় গিয়েছিলেন তিনি।

সেখানেই দেখেন ঐশীকে। সাধারণ বেশভূষার কিছুটা গম্ভীর, কিছুটা উচ্ছল একটা মেয়ে। প্রথমবারেই দেখে কেন জানি মনে হলো মেয়েটার মাঝে অসাধারণ কিছু আছে। দেখতে বাকি আট দশটা গড়পড়তা বাঙালি নারীর মতো হলেও, মুখে, কথাবার্তায় এবং চলাফেরায় এক অদম্য আত্মবিশ্বাসের ছাপ। ভালোই লাগে তার। পছন্দ হয় তখন যখন তিনি ঐশী সম্পর্কে জানতে পারেন। বাবা মা’র বড় সন্তান ঐশী, ছোট একটা ভাই আছে।

যতই যুগ পরিবর্তন হোক, কিন্তু এখনও কিছু পরিবার কিছু মানুষ আছে যারা আজও পুরনো আমলের চিন্তা ভাবনা রাখে। যাদের কাছে ছেলেই হচ্ছে সবচেয়ে মূল্যবান। ছেলেই সব। ঐশীর ফ্যামিলিও কিছুটা সেরকম। অহংকারীই বলা যায়। তাদের মাঝে আলগা একটা অহংকার আছে। তাদের ধারণা অনুযায়ী টিউশনি করে গরীব মানুষরা, টিউশনি করলে তাদের পরিবারের সম্মান কমে যাবে। এসব নানান অযৌক্তিক ধ্যান ধারণা তাদের। তারা চায়তো ঐশী যেন ডাক্তারী পড়ে। কিন্তু ঐশী ডাক্তারি পড়তে চায় নি। তবে বাবা মা’র চাপে পড়ে বাধ্য হয়ে সাইন্স নিয়ে পড়ে। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষার পর যখন ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে তখন সে বেঁকে বসে। সে ডাক্তারী পড়বে না। সে ডাক্তারী পড়ার চাপ নিতে পারবে না। কিন্তু তার কথায় তার বাবা মা কান দেয় নি। দূর্ভাগ্যবশত বলবো নাকি সৌভাগ্যবশত তার কোনো মেডিক্যাল এ চান্স হয় নি। এবং কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও হয় না। এরপর ভর্তি হয় আনন্দমোহনে। এটা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই ঐশীর বাবা মা ঐশীর উপর নারাজ।

কিন্তু এরমধ্যেই তারা তাকে আবার নতুন মানসিক চাপ দিতে শুরু করে। কথায় কথায় তারা ঐশী জীবনে কিছু করতে পারবে না, কোনো ক্যারিয়ার নেই এসব বলে বলে ঐশীর উপর এক মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। সেটা থেকে বাঁচতে ঐশী ঠিক করে সে টিউশনি হোক বা চাকরি কিছু একটা করবে। যা সে আগে থেকেই করতে চাইতো কিন্তু তার বাসা থেকে তা তখন এলাউ করতো না বলে আর করা হয় নি। এখন যখন তারা এসব বলছে তখন সে কিছু করলে নিশ্চয়ই তারা বাঁধা দিবে না এই চিন্তা করে সে তার বাবা মাকে জানায় যে সে টিউশনি করতে চায়। সে দুটো টিউশনি পেয়েছে। কিন্তু এতেও বেঁকে বসে তার বাবা মা তাদের ভাষ্য তারা তো তাকে কোনোরকম কোনো অসুবিধা হতে দিচ্ছে না তাহলে তার টিউশনি করার কি দরকার… তারা এসব এলাউ করবে না। ঐশী অনেক বোঝায় তাদের, তবে তারা নারাজ। চাকরির কথা বললে তাতেও তারা নারাজ। কিন্তু তাদের কটুকথা বন্ধ হয় না। না তো তারা ঐশীকে কিছু না করতে পারা নিয়ে কথা শুনানো বন্ধ করে আর না তো তাকে কিছু করতে দেয়।

আজকাল বাবা মা’দের মধ্যে এসমস্ত অসুস্থ চিন্তাভাবনা দিয়ে ভরপুর। একটা অসুস্থ প্রতিযোগিতায় তারা মত্ত। বেশিরভাগেরই ধারণা ডাক্তার ইন্জিনিয়ার না হলে জীবনে কিছু করা যায় না। ভালো ভার্সিটিতে চান্স না হলে কিছু করা যায় না। আবার ভালো ভার্সিটি হলেও কিছু হয় না, ভালো সাবজেক্ট না পেলে কিছুই করা যাবে না। কোনোকিছুতেই যেন তারা তৃপ্ত হয় না। এসবে যে কত কত সন্তান আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় তার হিসাব নেই।

এসবে একসময় অতিষ্ঠ হয়ে ঐশী তার বাবা মাকে না জানিয়েই কিছু টিউশনি জোগাড় করে নেয়। এসব কথা তিনি তার কলিগ এবং অন্যদের কাছ থেকে খোঁজখবর নিয়ে জেনেছে। তার কলিগ নাকি ঐশীকে জিজ্ঞেস করেছিল সে টিউশনি কেন করায়, তার জবাবে নাকি ঐশী বলেছিল,-“ আন্টি টিউশনি করালেই বেশিরভাগ মানুষ মনে করে হয়তো সংসারে অভাব তাই টাকার জন্য পড়ায়। আসলে তা না। আমি এই যে টিউশনি করাচ্ছি এতে আমার লাভের উপর লাভ হচ্ছে। টিউশনি করানোতে আমার জড়তা কাটছে, যা ভবিষ্যতে গিয়ে আমার খুব কাজে লাগবে। দ্বিতীয়ত আমার কনফিডেন্স বাড়ছে। যখন আপনি মাস শেষে আমার হাতে টাকা তুলে দেন, তখন কি যে ভালো লাগে। মনে আলাদা একটা শক্তি আসে। প্রায় একবছর ধরে পড়াচ্ছি তবুও প্রতিমাসে আমার সেম অনুভূতি হয় টাকা পেলে। নিজের জন্য কিংবা বাবা মা’র জন্য কিছু নিতে মন চাইলে আমি নিতে পারি। কিন্তু এরমানে এই না যে আমি টাকাগুলোর অপব্যবহার করি। আসলে কি হয় বলুন তো নিজের কামানো টাকায় না মায়া থাকে বেশি। খরচ করতে মন চায় না। নিজে নিজে ইনকাম করলে টাকার প্রতি কদর বাড়ে। ”
ইলোরা তার কলিগের মুখ থেকে এই কথাগুলো শুনে অভিভূত হয়ে যায়। এইটুকু মেয়ের মাঝে এতটা বোঝ তাকে অবাকই করে। এর আগে তিনি এত কম বয়সে এমন বোঝদার মেয়ে কখনো দেখে নি। সেই মুহূর্তে সে ঐশীকে তার পুত্রবধূ হিসেবে পছন্দ করে ফেলে। তার অনেক শখ ছিল ঐশীকে নিয়ে।

কিন্তু তার এই শখ, এই স্বপ্নটাও বোধহয় অধরা হয়ে রবে। সেদিন ঐশীর সাথে দেখা করে এসেই জয় আবার নিজেকে ঘর বন্দী করে ফেলে। পরে রাতের বেলায় কোনোমতে জয়কে বের করে জিজ্ঞেস করলে জয় বলে সে নাকি ঐশীকে সব বলে দিয়েছে।
এটা শুনেই সে আবার হতাশ হয়ে যায়। এসব শোনার পরে নিশ্চয়ই কোনো মেয়ে এমন কোনো ছেলেকে বিয়ে করতে চাইবে না। যে ছেলে অন্য একটা মেয়েকে ভালোবাসে। কিন্তু সেদিন জয় আরও একটা কথা বলে যা শুনে ইলোরা ইয়াসমিন অবাকের সাথে সাথে কিছুটা আশার আলোও দেখতে পায়। জয় সেদিন মাকে জড়িয়ে ধরে বলে, “ মা তুমি চিন্তা করো না, দেখো সব ঠিক হয়ে যাবে। আমাকে একটু টাইম দাও।”

একথা শুনার পর তিনি আর কখনো ঐশীর বিষয় কিংবা বিয়ে বিষয়ক কোনো কথা বলে নি। তিনি লজ্জায় ঐশীর বাবা মাকেও আর ফোন করতে পারে নি। কি বলতেন তিনি ফোন দিয়ে? বলার মতো কোনো মুখই যে তার নেই।

তবে সেদিনের পর থেকে জয়ের মাঝে বেশ পরিবর্তন লক্ষ্য করছেন তিনি। যে জয়ের হসপিটাল টু বাসা আর বাসা টু হসপিটালই ছিল গন্তব্য। বাসায় থাকলেও নিজের রুমেই নিজেকে গুটিয়ে রাখতো। সেই জয় এখন বাসায় আসলেও সারাক্ষণ আর রুমে থাকে না। এখন সে আবার আগের মতো মায়ের সাথে সময় কাটায়, স্মৃতির সাথে সারাক্ষণ খুনসুটিতে মেতে থাকে। মা বোনের জন্য স্পেশাল রান্না করে। বন্ধুদের সাথে সময় কাটায়, যাদের সাথে বিগত বছর দুই কোনো কথায় বলতো না৷ একমাত্র তার বন্ধুরা জোরাজোরি না করলে। টুকটাক গিটার বাজায়, যেই গিটার সে পুতুলের কাছ থেকে প্রত্যাখান পাওয়ার পর ভুলেও ছুয়ে দেখে নি। যথেষ্ট স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করে। হঠাৎ এমন কি হলো যার জন্য এতো পরিবর্তন, তা তার জানা নেই। আদোও জয় এসব মন থেকে করে নাকি কেবল মা কে খুশি করার জন্য তাও তার জানা নেই। না জানি কত কষ্ট বুকে জমিয়ে রেখে সবার সামনে হাসিখুশি থাকার অভিনয় করছে। তবে এটুকু তিনি আন্দাজ করতে পারে, জয়ের এই পরিবর্তনে কোথাও না কোথাও ঐশীর হাত আছে।

তিনি এতেই খুশি। তার ছেলে আবার আগের মতো হয়ে যাক তার এখন এইটুকুই চাওয়া। এখন সেটা যার ওসিলায় হোক। তার সন্তান সুখে থাকুক, শান্তিতে থাকুক এটাই তার কাম্য।
জয় আজকে তাকে নিতে আসবে। এখন প্রায় জয় তাকে পিকআপ করতে আসে। তাকে এবং স্মৃতিকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়। এগুলো জয় আগে করতো। তিনি চান অভিনয় নয়, জয় মন থেকে নিজে খুশি হয়ে সব করুক। ভালো থাকুক।

ক্রমশ…….
(কার্টেসী ব্যতিত কপি করা সম্পূর্ণভাবে নিষেধ।)

[কেমন লাগলো তা জানাবেন। গঠনমূলক মন্তব্য করবেন এবং লেখার ভুলত্রুটি গুলো ধরিয়ে দিবেন। আমাকে আমার ভুলগুলো ধরিয়ে দিলে আমি লেখায় উন্নতি করতে পারব।]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here