আমি অর্ষা পর্ব ১

0
75

আমার গায়ে হলুদের দিন আমার বিয়েটা ভেঙে যায়,শুধু মাত্র আমার বাবা জেলে বলে।তিনি নদী/পুকুরে মাছ ধরে তা আবার বাজারে নিয়ে বিক্রি করে টাকা উপার্জন করে আমাদের মুখে খাবার তুলে দেন বলে।ছেলে আমাদের পাশের এলাকারই।ছেলের বাবা মা আমাকে পছন্দ করেন তাদের ছেলের জন্য।
তারা আমার বাবার পেশাকে অসম্মান করেন নি।
বরং পছন্দ করেছিলেন আমাকে দেখে।ছেলের বাবা মায়ের আমার বাবার কাজে কোন আপত্তি ছিলোনা।
কারণ আমার বাবা একটা সৎ কর্ম করে খান।
চু রি ডা কা তি তো করেন না।

ছেলে বলেছিলো তার বাবা মায়ের পছন্দই তার পছন্দ।
তার বাবা মায়ের পছন্দর উপর নাকি তার পুরো বিশ্বাস আছে।
তাই সে আমাকে না দেখেই বিয়ের জন্য হ্যাঁ করে দিয়েছিলেন।
আমিও ছেলেকে দেখিনি।
আমার বাবা দেখেছেন তাতেই আমি সায় দিয়েছিলাম।
এর পর দুই পক্ষের মুরুব্বিরা বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করেন।
দিন তারিখ পাকা হওয়ায় আমার বাবা সব কিছু কেনাকাটা করে ফেলেন।

কিন্তু যেদিন আমাদের গায়ে হলুদ।
সেদিনই আমার বাসায় খবর আসে।
ছেলে একটা চিঠি লিখে পালিয়ে গেছে।
চিঠিতে নাকি লিখা ছিলো,

“বাব্বু আপনি আমাকে ক্ষমা করবেন।
আমার পক্ষে কোন জেলের মেয়েকে বিয়ে করা সম্ভব না।
আমার বন্ধুবান্ধব নিয়ে চলতে হয়।
ওদের আমি আমার বউ এর এই পরিচয় দিতে পারবোনা।
তাই আমি আবার শহরে ফিরে গেলাম।
আমাকে খুঁজবেন না।)

ছেলের বাবা মা ছেলেকে আগে জানাননি আমার আব্বু যে জেলে।
কারণ তারা ভেবেছিলেন,ছেলে যদি এই জন্য বিয়েতে অমত করে।

আর তাদের ওই একটা ভুলের জন্য এখন মাশুল গুনতে হচ্ছে আমার এবং আমার পরিবারের।

গ্রামে একটা বিয়ে ভেঙে যাওয়া মানে মেয়ে অ লক্ষী,অ পয়া।
সহজে আর সেই মেয়ের বিয়ের কাজ আসেনা।
মানুষ জন আগেপিছে দূর্নাম করতেই থাকে।

আমার পরিবারের আর আমার উপর দিয়ে এই একটা বছর যাবত কি যাচ্ছে তা শুধু আমি জানি।
আমি তো রাস্তায় বেরুলেই আমাকে দেখে লোকজন কানাকানি করে,ওই যে ওর না বিয়ে ভেঙে গেছে।
কিজানি,মেয়ের কোন দোষ আছে কে জানে।
ভালো মেয়েদের কি বিয়ে ভাঙে নাকি।

আমি সব কিছু শুনে চুপচাপ চলে আসি।
আম্মু বলেছেন,আমি যেন কারো কোন কথায় উত্তর না দেই।

আজ আমার এইচ এস সি এর রেজাল্ট দিয়েছে।
আমি খুব ভালো ভাবে পাশ করেছি।
আমার বাবা গরীব হতে পারেন।
কিন্তু আমাকে সে পড়াশোনা করিয়েছেন।
তার কথা প্রয়োজনে এক বেলা কম খাবো।
তবুও মেয়েকে পড়াশোনা শেখাবো।
ছেলের বাবা মা বলেছিলেন,তাদের তো টাকার অভাব নেই।
তারা বিয়ের পর আমাকে পড়াবেন।
তাই আমার বাবা সেখানে বিয়ে দিতে রাজি হয়েছিলেন।
ভেবেছিলেন,মেয়ে ভালোও থাকবে।
আর পড়াশোনাও চালিয়ে যেতে পারবে।

কিন্তু কে জানতো,এই বিয়ের সিদ্ধান্তই যে আমাদের জীবনের কাল হয়ে দাঁড়াবে।

আমার রেজাল্ট দেয়ার পর আব্বুকে যখন জানাই।
আমার আব্বু আমাকে জড়িয়ে ধরে বাচ্চাদের মত হাউমাউ করে কান্না শুরু করে দেন।

আমার মা ও আমাদের দুজনকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকেন।

আমি দুজনের কান্না মুছে দিয়ে মা বাবার হাত ধরে বলি,

বাবা মা,
আমি যে ভালো ভাবে পাশ করেছি,তাতে কি তোমরা খুশি?
আমার বাবা আরো জোরে কাঁদতে কাঁদতে বলেন,মারে অনেক খুশি।

তখন আমি তাদের বলি,
তাহলে আমি আজ তোমাদের কাছে কিছু চাইবো।

দুজনই বলে উঠেন,কি চাস মা বল।

আমি তখন তাদের বলি,

_আমি শহরে গিয়ে অনার্সে ভর্তি হতে চাই।
তোমরা আমাকে না করোনা।
আমি চাই আরো পড়াশোনা করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে।

_কিন্তু মা।
_বাবা তোমার অনেক কষ্ট হবে আমার পড়াশোনার টাকা জোগাড় করতে।
আর তোমরা চাওনা আমি তোমাদের থেকে অনেক দূরে থাকি।
তাইতো?
কিন্তু বাবা আমি চাই আমার নিজের একটা নাম হোক।
আমি অনেক বড় হতে চাই বাবা।
লোকে যাতে তোমাকে সম্মান দেয়।
আর বুঝতে পারে,চাইলে জেলের মেয়েও অনেক কিছু করতে পারে।
আর আমি সবাইকে বোঝাতে চাই,জেলেরাও মানুষ।
মাছ ধরা কোন খারাপ কাজ না।

আমার বাবা মা আমার কথা শুনে আমাকে অনুমতি দেন শহরে যাবার।

একটা সময় আমরা তিন বান্ধবী মিলে শহরে যাই।
গিয়ে একটা বাসা ভাড়া নেই তিন জন মিলে।
সময় মত অনার্সে ভর্তি হয়ে যাই।

আমি শহরে আসার সময় আমার বাবা আমাকে একটা বাটনফোন কিনে দেন।
যাতে আমি পাশের বাসার চাচীদের ফোনে কল করে বাবা মায়ের সাথে কথা বলতে পারি।
আর আমার বাবা মা ও মাঝেমধ্যে তাদের ফোন থেকে কল দিয়ে আমার খবর নিতে পারেন।

তিন বান্ধবী খুব ভালো ভাবেই মানিয়ে নিতে শুরু করলাম শহুরে পরিবেশের সাথে।

আমরা যে বাসায় ভাড়া থাকি,সে বাসায় ছোট্ট একটা পিচ্চি মেয়ে আছে।
ও আমাদের তিন জনকে বেশ পছন্দ করে।
বিশেষ করে আমাকে।

প্রায় সময়ই ওর মায়ের কাছে বায়না করে আমাদের কাছে আসবে।
ওর মা মাঝে মধ্যে আমাদের কাছে নিয়ে আসেন।
একদিন ওর মা এসে আমাকে বলেন,
প্রথমা আমার কাছে পড়তে চায়।
আমি যেন ওকে পড়াই।
প্রথমা এবার ক্লাস টুতে পড়ে।
তিনি আরো বললেন,আমি যদি ওকে পড়াই তাহলে পাশের ফ্ল্যাটে ওর ক্লাসমেট আছে।ওকেও পড়াতে দিবে আমার কাছে।
আমি যদি দুজনকে পড়াই তাহলে তারা আমাকে মাসে ৩০০০ টাকা বেতন দিবেন।

আমার বান্ধবীরা বল্লো,রাজি হয়ে যা।
তিন হাজার টাকা কম না।

আমিও সুযোগ টা হাত ছাড়া করতে চাইলাম না।
আমাকে চুপ করে থাকতে দেখে প্রথমার মা বলে উঠে,
সামনের বছর বাড়িয়ে দিবো যদি পড়াও তুমি।

আমি বললাম,না না ঠিক আছে।
আমি পড়াবো।
এরপর থেকে আমি দুজনকে পড়ানো শুরু করি।

বাবা মাকে এই খবর টা দেয়ার পর তারা খুবই খুশি হন।

বাড়ীওয়ালা আংকেল আন্টি আমাদের সাথে খুব সুন্দর ব্যবহার করেন।
ভালো মন্দ রান্না করলে আমাদের জন্য দিয়ে পাঠান মাঝেমাঝে।

বাড়ীওয়ালা আংকেল আন্টির এক ছেলে এক মেয়ে।
তারা পড়াশোনার জন্য দেশের বাইরে থাকেন।

আংকেল আন্টি দুজনই থাকেন বাসায়।
তাই আন্টি মাঝেমাঝেই বলেন,তোমরা অবসর সময় আমার কাছে চলে আসবে।
আমরা সবাই মিলে গল্প করবো।

ভালোই কাটছে সময় গুলো।
ভেবেছিলাম শহরে আসবো।
কিভাবে এখানে নিজেকে মানিয়ে নিবো।
কিন্তু কোন রকম সমস্যা হয়নি।

প্রায়ই মা বাবার জন্য খারাপ লাগে।
কিন্তু কি আর করার।
আমাকে অনেক বড় যে হতে হবে।

দেখতে দেখতে এক মাস কেটে যায়।

একদিন আন্টি এসে আমাকে বলেন,আমি আর তোমার আংকেল তো দুদিনের জন্য বেড়াতে যাচ্ছি।
বাসায় আবার নতুন ভাড়াটিয়া আসবে।
তুমি একটু ফ্ল্যাটের চাবিটা রাখতে পারবে?
ভাড়াটিয়া আসলে তাকে একটু চাবিটা দিলেই হবে।
আমি আচ্ছা বলে চাবিটা রেখে দেই।

আন্টি আংকেল বেড়াতে চলে যান।
পরের দিন সকালে কলিং বেলের আওয়াজ হচ্ছে।
আমার দুই বান্ধবীর একজনও দরজা খুলবেনা।
একজন বলছে,তুই ওঠ,আরেকজন বলছে তুই ওঠ।
আজ শুক্রবার সবাই আরামের ঘুম দিচ্ছিলাম।
অবশেষে আমি রুমের দরজা খুলি,
খুলে দেখি কালো শার্ট পরা একটা ছেলে দাঁড়িয়ে।

দরজা খুলতেই তিনি আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছেন।
আমি তাকে হালকা কাশি দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম,

কে আপনি?
কাকে চান?

তিনি উত্তর দেন,না মানে ইয়ে।
_না মানে ইয়ে কি?
_আসলে আমি নিচে বাসা ভাড়া নিয়েছি।
ফ্ল্যাটের চাবিটা কি আপনাদের কাছে?
আন্টিকে কল দিয়েছিলাম।
আন্টিতো এই ফ্ল্যাটের কথাই বললেন।

_জ্বী।একটু দাঁড়ান আমি চাবি টা নিয়ে আসছি।

_জ্বী আচ্ছা।
_এই নিন চাবি।
_ধন্যবাদ।আপনার নাম টা তো জানা হলোনা।
আপনার নাম টা জানা যাবে?

_আমি অর্ষা।
_অর্ষা।অনেক সুন্দর নাম তো।
এতো সুন্দর নাম টা কে রেখেছে?
_আমার চাচাতো বোন।
আপুর নাম বর্ষা।তাই আমার নাম রেখেছে অর্ষা।

আর কিছু বলবেন?
_না।
আপাতত এটুকুই চলবে।
_তাহলে এবার আসুন।
_আচ্ছা, কোন দরকার হলে কিন্তু বিরক্ত করতে আসবো।
কিছু মনে করবেন না যেন।

এই কথা বলে ছেলেটা চলে যায়।

আমি ফ্রেশ হয়ে একটু নুডুলস রান্না করে নেই।

তারপর আমার মহারানী বান্ধবীরা ঘুম থেকে ওঠেন।

এদের একজন হচ্ছে রুনা।
যে নাকি ঘুমের রাণী।
যেখানে সেখানে যখন তখন শুলেই সে ঘুমিয়ে পড়ে।কোত্থেকে যে ওর চোখে এত ঘুম আসে।
একেক সময় তো ক্লাসে ক্লাস করতে করতেই ঘুমিয়ে যায়।
পরে আমরা ডেকে তুলি।

আরেকজন হচ্ছে সাজনী বুড়ি।
সে শুধু সাজগোজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে।
সারাদিন রাত সাজের উপর থাকে সে।এমন কি বাসায় থাকলেও সে সেজেই থাকবে।
ওর নাম হচ্ছে প্রেমা।

আমরা তিনজন ছোট বেলার বান্ধবী।
এক সাথে আমাদের বড় হওয়া।একই এলাকায় বাড়ী।
এক সাথেই পড়াশোনা।
আমরা কেউ কাউকে ছাড়া থাকতে পারিনা।
তাইতো এক সাথেই শহরে পড়তে এসেছি।
একই সাথে ভর্তি হয়েছি।

প্রেমা ফ্রেশ হয়ে সাজতে সাজতে আমাকে বলছে,
চলনা অর্ষা আজ আমরা কোথাও ঘুরতে যাই।
_না না না।
আমি তো কোথাও যাবোনা।
আমি খেয়েই এখন ঘুমাবো।
কত দিন পর একটা শুক্রবার পেয়েছি।
সারাদিন ঘুমাবো আমি আজ।(রুনা)

_তুই ঘুমা।
সারাদিন ঘুমা।
_আমিও যাবোনারে।
কাপড়চোপড় গুলো ধুয়ে দেই দেখি।
কাজ সেরে বাবা মাকে ফোন দিবো একটু।
কথা বলবো।
আজ মা বাবার জন্য মন টা কেমন যেন করছে।
_তাহলে কি আমি একা যাবো?
_না না একা যেতে হবেনা।সবে মাত্রই তো এসেছি আমরা।
সব কিছু কি চিনি নাকি ভালো মত?
একা গেলে যদি হারিয়ে যাস।
অন্য দিন যাবোনে।

_তাহলে কাজ টাজ সেরে রেডি থাকিস।
বিকেলে আমরা ছাদে গিয়ে ছবি তুলবো।
নাকি তাতেও তোদের সমস্যা? (প্রেমা)

_যদি ঘুম ভাঙে আমার তাহলে।(রুনা)
_আচ্ছা বাবা ঠিক আছে,তুলবোনে ছবি।

সারাদিনের কাজ কর্ম সেরে আমি বাবা মায়ের সাথে কথা বলে নেই।

বিকেলে ছাদে যাই শুকনো কাপড় গুলো আনতে।
যেই না দড়ি থেকে শুকনো ওড়না টান দিয়ে সরিয়েছি আর দেখি সকালের সেই ছেলেটা।

হঠাৎ দেখে আয়ায়ায়া বলে একটা চিৎকার দেই আমি।

আর সাথে সাথে ছেলেটা আমার মুখ চেপে ধরে।

আর বলে,

এই আমি আমি আমি।
এভাবে চিল্লালে মানুষ কি বলবে।
বাসার লোকজন তো সবাই চলে আসবে।

তারপর ছেলেটা আমার মুখ থেকে হাত সরায়।

আমি রেগে গিয়ে বলি,
আপনি ছাদে কি করেন?
আর আমার বান্ধবীর ওড়নার পেছনে কি?

_আরে বাবা আমিতো কাপড় মেলতে এসেছি।
এই দেখুন আমার ভেজা শার্ট।
_এই বিকেলে কেউ ভেজা কাপড় মেলে?
_কি করবো,রুম গোছাতে গোছাতে গোসল করতে দেরি হয়ে গেছে।
_ওহ আচ্ছা।
আচ্ছা ঠিক আছে যান আপনি।
_আপনারা কে কে থাকেন এক সাথে?
মানে কার সাথে থাকেন আপনি?

_আমরা তিন বান্ধবী থাকি।
_আপনারা পড়াশোনা করেন বুঝি?
পড়াশোনার জন্য এসেছেন?
_জ্বী।
বাসা কোথায় আপনাদের?
_এত কিছু জেনে আপনি কি করবেন?
_না এমনি।
আমিও আমার বন্ধুকে নিয়ে উঠেছি।
আমরা দুজনই জব আর পড়াশোনা করি।
_খুব ভালো।
_আচ্ছা আসবেন এক সময়।
আসছি।

এই বলে ছেলেটা চলে যায়।

আমিও শুকনো কাপড় নিয়ে রুমে চলে যাই।

পরে আবার ছাদে এসে তিন বান্ধবী মিলে ছবি তুলি।

এভাবে কয়েক দিন কেটে যায়।
বাড়ীওয়ালা আংকেল আন্টিও বাসায় চলে আসেন।
আর খুশি হয়ে আমাদের জানান,তিন দিন পর তাদের ছেলে মেয়ে দেশে আসবে কিছুদিনের ছুটিতে।

তারাতো মহা খুশি।

আংকেল আন্টির খুশি দেখে আমারো খুব ভালো লাগে।
আন্টি এই তিন দিনে তার ছেলে মেয়ের জন্য অনেক কিছুর আয়োজন করেন।
বিশেষ করে বিভিন্ন রকমের পিঠার।

আন্টির ভাইয়ের মেয়ে প্রিয়া বেড়াতে এসেছে।আন্টির ছেলে মেয়ে দেশে আসবে বলে।

আমি,প্রথমার আম্মু,আর আন্টির ভাতিজি আমরা সবাই মিলে আন্টিকে সাহায্য করি।
কারণ আন্টি একা মানুষ।
একা একা বেচারির কষ্ট হয়ে যায় বিভিন্ন পদ তৈরি করতে।
বোয়া খালার পা মচকে ফুলে গেছে বলে,দুদিন যাবত কাজে আসতে পারেন না।

আজ আন্টির ছেলে মেয়ে আসবে।
তাই আন্টি খুব এক্সাইটেড।
আংকেল গেছেন তাদের রিসিভ করতে।
আমি,আর প্রথমার মা ভাবী আন্টির টুকটাক কাজে সাহায্য করছি,কা টা কুটি করে দিচ্ছি।
আর আন্টি রান্না করছেন।
আন্টির ভাতিজি প্রিয়া ঘর গোছাচ্ছে।

ওমন সময় কলিং বেলের আওয়াজ আসলে আন্টি আমাকে বলেন,

_যাও তো মা দরজা টা খুলে দিয়ে এসো।

আমি গিয়ে দরজা টা খুলতেই আন্টি বলে একটা চিৎকার দিয়ে উঠি।

#আমি_অর্ষা
#মেঘাদ্রিতা_মেঘা
#১ম_পর্ব

চলবে…

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here